Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Dhankhar

কলেজিয়াম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, জনস্বার্থে মামলা দায়ের ধনখড়, রিজিজুর বিরুদ্ধে

বম্বে হাই কোর্টে দায়ের হয়েছে ওই মামলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৩, ২১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৩, ২১:২০

options
link
কলেজিয়াম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, জনস্বার্থে মামলা দায়ের ধনখড়, রিজিজুর বিরুদ্ধে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলেজিয়াম বিতর্কে কেন্দ্র এবং বিচারব্যবস্থার বিবাদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) কটাক্ষ করেছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ও আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে মামলা দায়ের হল বম্বে হাই কোর্টে। আইনজীবীদের একটি সংগঠন এই মামলা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান আহমেদ আবিদির দাবি, দুই প্রাতিষ্ঠানিক প্রধানের বক্তব্যে জনসমক্ষে সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদাহানি হয়েছে। এই অবস্থায় তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ আরজি জানিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। ঠিক কী নিয়ে বিবাদ কেন্দ্র ও শীর্ষ আদালতের? আসলে বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্র এবং শীর্ষ আদালতের মধ্যে কার্যত বিবাদের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কলেজিয়ামের সুপারিশ মেনে বিচারপতি নিয়োগের যে পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তাতে আপত্তি জানিয়ে প্রায় নিয়মিত কোনও না কোনও বয়ান দিচ্ছে কেন্দ্র। তাতে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের অভিযোগ, কলেজিয়ামের সুপারিশ মেনে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে ঢিলেমি করছে কেন্দ্র। বিচারবিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ভূমিকা হতাশাজনক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাজেটের দিন নেটদুনিয়ায় ট্রেন্ডিং #middleclass, মজাদার মিমের ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়ায়]

আর এই বিতর্কেই কয়েকদিন আগে ঢুকে পড়েন ধনখড়। ২০১৪ সালের বিচারব্যবস্থার নিয়োগ আইন প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, সুপ্রিম কোর্ট সংসদ ভবনকে অবজ্ঞা করেছে। আর সংসদকে অবজ্ঞা করা মানে মানুষের ইচ্ছাকে অবজ্ঞা করা। কারণ সংসদের সিদ্ধান্তে মানুষের ইচ্ছাই প্রতিফলিত হয়। ঘটনাচক্রে ধনকড় যখন এই কথাগুলি বলছিলেন, তখন তাঁর পাশে বসে ছিলেন খোদ প্রধান বিচারপতি। এরপরই বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে।

এদিকে আইনমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়েও বিতর্ক ঘনিয়েছিলেন। আসলে যখন কোনও আইনজীবী কিংবা বিচারককে হাই কোর্ট কিংবা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি করার সুপারিশ করা হয়, সেই সময় তাঁদের সম্পর্কে খুঁটিনাটি খোঁজখবর নেন গোয়েন্দারা। এই ধরনের রিপোর্টের কিছু অংশ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল কলেজিয়ামকে। এই প্রসঙ্গে আইমন্ত্রীর মন্তব্য ছিল, ”ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলির গোপন কাজের রেকর্ড এভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হলে এরপর তারা এই ধরনের কাজ করার আগে ভাববেন।”

[আরও পড়ুন: ভোটমুখী কর্ণাটকে ৫, ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ, নির্মলার বাজেটে কী পেল বাংলা?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.