Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
নেপাল

ভারত-নেপাল সীমান্তে রহস্যজনকভাবে লোপাট বর্ডার পিলার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল SSB

পাঁচটি নতুন বর্ডার পোস্টও বানিয়েছে নেপালের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২০, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২০, ১৪:৩৯

options
link
ভারত-নেপাল সীমান্তে রহস্যজনকভাবে লোপাট বর্ডার পিলার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল SSB zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-নেপাল সীমান্তে রহস্যজনকভাবে লোপাট হয়ে গিয়েছে একাধিক ‘বর্ডার পিলার’। দিল্লি-কাঠমাণ্ডুর মধ্যে সংঘাতের আবহে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল সশস্ত্র সীমা বল (SSB)। দুই দেশের মধ্যে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সীমারেখা নির্ণয় ও দেখানোর জন্য পিলারগুলি বসানো হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: ‘দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা হোক’, সর্বদল বৈঠকে দাবি কংগ্রেসের]

ঘটনাটি ঘটেছে নেপাল (Nepal) সীমান্তে অবস্থিত উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলায়। সেখানে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার সীমানা ভাগ করে নিয়েছে দুই দেশ। ভারতের দিক থেকে ওই এলাকার নজরদারির ভার রয়েছে ‘সশস্ত্র সীমা বল’-এর ৩৯ নম্বর ব্যাটালিয়নের হাতে। সম্প্রতি, SSB কমান্ডেন্ট মুন্না সিং লখিমপুর খেরির জেলাশাসক শৈলেন্দ্র সিংয়ের কাছে একটি রিপোর্ট পেশ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, সীমান্তে বেশ কয়েকটি বর্ডার পিলার লোপাট হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখানে পাঁচটি নতুন বর্ডার পোস্টও বানিয়েছে নেপালের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ‘সশস্ত্র প্রহরী বল’।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত শনিবার ভারতের প্রবল আপত্তিকে উপেক্ষা করে নেপালের জাতীয় সংসদে পাশ হয় সংবিধান সংশোধনী বিল। সাংসদদের দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে এই বিলটি পাশ হয়। এর ফলে ভারতীয় ভূখণ্ডের কিছু অংশ নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে ওলি সরকার। সম্প্রতি উত্তরাখণ্ড থেকে মানস সরোবর পর্যন্ত একটি রাস্তা তৈরি করে ভারত। তাতেই বাধা দিচ্ছিল নেপাল। ক্ষমতাসীন ওলি সরকারের দাবি ছিল, যে তিনটি জায়গার উপর দিয়ে এই রাস্তা তৈরি হচ্ছে সেই কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পুয়াধুরা নেপালের এলাকা। বিষয়টি শুধুমাত্র আলোচনার স্তরে না রেখে দেশের নতুন মানচিত্রও তৈরি করে ফেলে তারা। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে চূড়ান্ত টানাপোড়েন চলছে। বিশ্লেষকদের মতে নেপালের এহেন আচরণের নেপথ্যে রয়েছে চিন (China)। ভারতের বিরুদ্ধে বেজিংই কাঠমান্ডুকে উসকানি দিচ্ছে। 

[আরও পড়ুন: ‘দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা হোক’, সর্বদল বৈঠকে দাবি কংগ্রেসের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.