Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জইশ-ই-মহম্মদ

নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অজিত দোভালকে খুনের পরিকল্পনা জইশ-ই-মহম্মদের

৩৭০ বাতিলের বদলা নিতে দেশের ৩০টি শহরে আত্মঘাতী হামলার ছকও কষছে তারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৩:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৩:০৬

options
link
নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অজিত দোভালকে খুনের পরিকল্পনা জইশ-ই-মহম্মদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩৭০ ধারা বাতিলের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে পাকিস্তান এবং তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। কোনও কিছুতেই কাজ হচ্ছে না দেখে শেষে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অজিত দোভালকে খুনের পরিকল্পনা নিয়েছে তারা। সম্প্রতি দ্য ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনের কাছে একটি চিঠি এসেছে। তাতে বর্তমান ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন ব্যক্তির নাম জইশ-ই-মহম্মদের হিট লিস্টে আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে খুনের চক্রান্ত ফাঁস হওয়ার পরেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নাশকতার ছক, পাঞ্জাবে আকাশ থেকে ফেলা হল প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র ]

ওই চিঠিতে জম্মু, পাঠানকোট, অমৃতসর, জয়পুর গান্ধীনগর, কানপুর ও লখনউ-সহ দেশের ৩০টি শহরে জইশ হামলার ছক কষছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া তাদের নজরে রয়েছে দেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও। গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে শান্তি ফেরানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা পছন্দ নয় জইশের। ভূস্বর্গ অশান্ত থাকলেই তাদের সুবিধা। পাশাপাশি সেখানে উন্নয়নমূলক কাজও করতে দিয়ে চায় না তারা। আর এই বিষয়ে তাদের পথে কাঁটা হলেন প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তাই তাঁদের রাস্তা থেকে সরাতে চায় মাসুদ আজহারের সংগঠন। এর জন্য আলাদা একটি স্কোয়াডও তৈরি করেছে তারা।

Advertisement

সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নিয়েছিল আরেক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। এর জন্য মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড ও লস্কর প্রধান হাফিজ সইদ গভীর ষড়যন্ত্র করছিল বলে খবর পাওয়া যায়। মোদির লোকসভা কেন্দ্রে নিজেদের সংগঠন গড়ে তুলতেই জঙ্গি হামলার ছক কষছিল তারা।

[আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ, মামলা শরদ পওয়ারের বিরুদ্ধে]

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পিছনে মোদি, শাহ ও দোভালের মস্তিষ্ক রয়েছে বলেই মনে করে পাকিস্তান। আর তাই তাদের আশ্রয় থাকা জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে এই তিনজনের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর উসকানি দিেচ্ছ। পাকিস্তানের ধারণা,  এই ত্রিমূর্তি সরে গেলেই ফের বদলে যাবে ভারতের চেহারা। আক্রমণাত্বক মনোভাবের জায়গায় ফের রক্ষণাত্মক হয়ে পড়বে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.