সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা ১১ বার লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতির উদ্দেশে ভাষণ। দেশের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের সকালে একাধিক নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একদিকে মনোমোহন সিংকে টপকে তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে লালকেল্লায় পতাকা উত্তোলন। অন্যদিকে স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দীর্ঘতম ভাষণ, দুই রেকর্ডই মোদির নামের পাশে।
প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে বেশিবার লালকেল্লায় ভাষণ দিয়েছেন জওহরলাল নেহরু। লালকেল্লায় মোট ১৭ বার ভাষণ দিয়েছেন তিনি। স্বাধীন দেশের প্রথম ভাষণও দেন নেহেরুই। ইন্দিরা গান্ধী ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৭ এবং পরে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি মোট ১৬ বার লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন। সবচেয়ে বেশিবার ভাষণ দেওয়া প্রধানমন্ত্রীদের নিরিখে মোদি এখন তৃতীয় স্থানে। ২০১৪ সাল থেকে টানা ১১ বার লালকেল্লায় ভাষণ দিলেন মোদি। তিনি টপকে গেলেন মনোমোহন সিংকে।
[আরও পড়ুন: আর জি করে হামলার পিছনে রয়েছে বিজেপি-সিপিএম, বিস্ফোরক অভিযোগ পার্থের]
এদিন লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে ইতিহাসের দীর্ঘতম ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার সকালে টানা ৯৮ মিনিট ভাষণ দেন মোদি। প্রধানমন্ত্রীর অবশ্য লম্বা ভাষণ দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালে মোদি ৯৪ মিনিট ভাষণ দেন। এবারের আগে সেটাই ছিল দীর্ঘতম ভাষণের রেকর্ড। স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণের গড় সময় ৮২ মিনিট! তাঁর ক্ষুদ্রতম ভাষণ ৫৬ মিনিটের। সেটা ২০১৭ সালে দেওয়া।
[আরও পড়ুন: আর জি করে হামলার প্রতিবাদে অনশনে জুনিয়র চিকিৎসকরা, ১২ ঘণ্টা বনধ ডাকল SUCI]
এবারের স্বাধীনতা দিবসে উদ্দেশে ভাষণে চমকের পথে না হেঁটে তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্যগুলিকে নতুন মোড়কে তুলে ধরলেন নরেন্দ্র মোদি। লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে ফের স্বপ্ন দেখালেন ‘বিকশিত ভারতে’র। স্বপ্ন দেখালেন ‘বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ’ হিসাবে ভারতকে গড়ে তোলার।
সর্বশেষ খবর
-
ওবিসি জটেই ঝুলে! ৩১ আগস্টের মধ্যে হচ্ছে না ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, জানিয়ে দিল এসএসসি
-
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, অভিষেকের ক্রিকেট কেরিয়ার কি শেষ? কী ভাবছে দিল্লি ক্যাপিটালস, সিএবি?
-
দাড়িভিটে নিহত ছাত্রদের সম্মান জানাতে উদ্যোগী এবিভিপি, ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবস পালনের ডাক
-
নিউটাউনের পর পূর্বস্থলী! ঘরে তরুণীর দেহ, জেরায় অসঙ্গতি থাকায় আটক লিভ-ইন সঙ্গী
-
FCRA বিল নিয়ে তাড়াহুড়ো নয়, দরকারে ‘ঠান্ডা ঘরে’ পাঠাতে রাজি সরকার! দাবি সূত্রের