নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: সোশাল মিডিয়ার প্রোফাইল ছবি বদলালেন মোদি। কেবল তাঁর ব্যক্তিগত প্রোফাইলই নয়, বদলে গিয়েছে পিএমওর অ্যাকাউন্টের ছবিও। মোদির আগের প্রোফাইল ছবিতে তিনি নস্যি রঙের জহরকোট পরেছিলেন। নতুন ছবিতে তাঁর পরনে হলুদ জহরকোট। আবার পিএমওর অ্যাকাউন্টের যে ছবি, সেখানে তাঁর পরনে সাদা পোশাক। কভার ফটো হিসেবে রয়েছে তাঁর সংবিধানকে ঝুঁকে প্রণাম করার ছবিটি। প্রসঙ্গত, মোদি নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলের ছবি মাঝেমধ্যে বদলালেও পিএমও অ্যাকাউন্টের ছবি বদলাল দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে।
আর মোদির (PM Modi) প্রোফাইল ছবি বদলের পর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, এর পিছনে নাকি রয়েছে জ্যোতিষের নিদান। সাদা বা হলুদ রং তাঁর জন্য শুভ বলেই নাকি ওই রঙের পোশাক পরিহিত ছবি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মোদি। একই ভাবে পিএমও অ্য়াকাউন্টের ছবি এত বছর পরে বদলানোর পিছনেও হয়তো তিথি-নক্ষত্রের কোনও বিষয় থাকতে পারে।

[আরও পড়ুন: DA নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের, জামাইষষ্ঠীর আগেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর]

আসলে আগের দুবারের চেয়ে এবার পরিস্থিতি আলাদা। ২০১৪ ও ২০১৯ সালে বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। কিন্তু এবার ২৭২-এর ম্যাজিক ফিগার থেকে দূরেই রয়েছে পদ্ম শিবির। আর তাই নীতীশ-নায়ডুদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গড়তে হয়েছে সরকার। শরিকি চাপের মুখেই সরকার চালাতে হবে বিজেপিকে, এমন সম্ভাবনা জোরালো। ফলে সবকিছু ‘শুভ’ রাখতেই কি নিজের প্রোফাইল ছবিতে সাদা ও হলুদ রঙের দিকে ঝুঁকলেন প্রধানমন্ত্রী? এমনটাই জল্পনা।
এদিকে এদিনই গেরুয়া শিবিরের নেতা ও কার্যকর্তাদের নিজের নামের পাশে লেখা ‘মোদি কা পরিবার’ সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন মোদি। নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘আপনার এবার আপনাদের সোশাল মিডিয়া থেকে ‘মোদি কা পরিবার’ লেখাটা সরিয়ে দিতে পারেন। এই ডিসপ্লে বদলে গেলেও ভারতের উন্নতির জন্য এক পরিবার হিসেবে আমাদের বন্ধন দৃঢ় ও অভঙ্গুর হয়ে থাকবে।’
[আরও পড়ুন: সুদখোর বিজেপি নেতা! উপনির্বাচন ঘোষণা হতেই পোস্টারে ছয়লাপ বাগদা]
সর্বশেষ খবর
-
হতশ্রী ফুটবল! এবার তাজিকিস্তানের কাছেও হার খালিদ জামিলের ভারতের
-
‘যা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতেই…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারির পর স্বস্তিতে ঋত্বিক!
-
সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী! ১০ জুন নেহরুর রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়বেন মোদি
-
নদিয়ায় ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’র খোঁজ, গ্রামীণ চিকিৎসকের অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা
-
থেমেও থামছে না বিতর্ক! অভিষেককে ফের ‘আক্রমণ’ সিএবি কোষাধ্যক্ষের