সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই প্রথম পডকাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেখানেই মহাত্মা গান্ধীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন তিনি। জানালেন, নেতৃত্ব ও সংযোগ স্থাপনে কীভাবে নজির গড়েছিলেন ‘জাতির জনক’। সেই সঙ্গেই ভাগ করে নিলেন রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর উপলব্ধিও। মোদির দাবি, রাজনীতিতে ঢোকা সহজ। কিন্তু সেখানে সাফল্য অর্জন করা সহজ নয়।
জিরোদা’র অন্যতম কর্ণধার নিখিল কামাথের পডকাস্টে উপস্থিত হয়েছিলেন মোদি। আর সেখানেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”গান্ধী কখনও টুপি পরেননি। কিন্তু গোটা বিশ্ব মনে রেখেছে ‘গান্ধী টুপি’কে। এটাই সত্যিকারের নেতৃত্ব ও যোগাযোগের শক্তি।” পাশাপাশি মোদির আরও দাবি, গান্ধী নিজে সুবক্তা ছিলেন না। কিন্তু মানুষের সঙ্গে মেশার ক্ষমতা ছিল অসাধারণ। আর তার সাহায্যেই তিনি নিজের ব্যক্তিত্ব ও দক্ষতায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।
এরই সঙ্গে রাজনীতিতে প্রবেশ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, ”রাজনীতিতে প্রবেশ সহজ। কিন্তু সাফল্য অর্জন একেবারে আলাদা একটা চ্যালেঞ্জ। রাজনীতিতে সাফল্যের জন্য প্রয়োজন গভীর আত্মোৎসর্গ, মানুষের সঙ্গে লাগাতার সংযোগস্থাপন, তাঁদের ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই। দলীয় কর্মী হিসেবে কাজ করার যোগ্যতাও থাকতে হবে। যদি কেউ বিশ্বাস করে, তার কথা সকলেই শুনবে ও অনুসরণ করবে, তা নয়। এভাবে কয়েকটি নির্বাচনে জেতা যেতে পারে। কিন্তু কোনও গ্যারান্টি নেই যে তিনি একজন সফল নেতা হয়ে উঠতে পারবেন।”
এছাড়াও এই পডকাস্টেই কথা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমিও সাধারণ মানুষ। কোনও দেবতা নই।” মোদি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন একটা ভাষণ অযাচিত মন্তব্য করেছিলাম। কিন্তু ভুল তো আমারও হয়। আমিও মানুষ।” বলে রাখা ভালো, লোকসভা নির্বাচনের আগে এক সাক্ষাৎকারে মোদি দাবি করেছিলেন, তাঁর জন্ম জৈবিক প্রক্রিয়ায় নয়। তাঁর শক্তির উৎস ঈশ্বর প্রদত্ত। কিন্তু এবার একেবারে উলটো কথা বললেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা