Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

সরকারের তিন বছর পূর্তিতে আজ দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন মোদি

চিন সীমান্তে বাড়তি প্রহরা মোতায়েন করতেই এই ৯.১৫ কিলোমিটার লম্বা নয়া সেতু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ০৫:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০১৭, ০৫:০৫

options
link
সরকারের তিন বছর পূর্তিতে আজ দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন মোদি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিন বছর পেরিয়ে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এনডিএ সরকার চার বছরে পা রাখতে চলেছে। পাশাপাশি অসমেও এক বছর পূর্ণ করল বিজেপি সরকার। এই জোড়া সাফল্যকে উদযাপন করতে শুক্রবার অসমে দেশের দীর্ঘতম সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও পরিকাঠামোরও শিলান্যাস করবেন। বিজেপি মন্ত্রী ও বিধায়করা এদিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।


আজ সকাল ১০.৪৫ মিনিট নাগাদ তিনসুকিয়া জেলায় ব্রহ্মপুত্রের উপর সদ্য নির্মিত দেশের দীর্ঘতম ঢোলা-সাদিয়া সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ৯.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু অসম ও অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে যাতায়াতের জন্য অন্তত ৪ ঘন্টা সময় বাঁচাবে। ভারত-চিন সীমান্তের খুব কাছে নির্মীয়মাণ এই ব্রিজ ৬০ টনের ব্যাটল ট্যাঙ্কের ওজন বহনে সক্ষম৷ অসম ও অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভারতীয় সেনাও এই সেতু ব্যবহার করে ভারত-চিন সীমান্তে দ্রুত ব্যাটল ট্যাঙ্ক নিয়ে পৌঁছে যেতে পারবে৷ ২০১১ সালে এই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়৷ গোটা প্রকল্পের জন্য আনুমানিক ৯৫০ কোটি টাকা খরচ হবে৷ অরুণাচল প্রদেশে কোনও অসামরিক বিমানবন্দর নেই৷ নয়া সেতুটি খুলে গেলে তিনসুকিয়ায় রেল ও ডিব্রুগড় বিমানবন্দরে পৌঁছতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে৷

%%SP_PROTECT_2%%

নতুন সেতুটির অবস্থান অসমের রাজধানী দিসপুর থেকে ৫৪০ কিলোমিটার দূরে ও অরুণাচলের রাজধানী ইটানগর থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু চিন সীমান্ত থেকে আকাশপথে এর দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটার। মুম্বইয়ের বান্দ্রা-ওয়ারলি সামুদ্রিক সেতুর চেয়েও নয়া ব্রিজটি ৩.৫৫ কিলোমিটার লম্বা৷ এতদিন তেজপুরের কাছে কালিয়াভোমরা ব্রিজ ছাড়া ৩৭৫ কিলোমিটার দূরে ঢোলা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রর উপর আর কোনও ব্রিজ ছিল না৷ নদীর দুই ধারে যাতায়াতের জন্য জলপথই ছিল একমাত্র ভরসা৷ এই নয়া সেতু অরুণাচল প্রদেশ ও অসমের সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে৷


অসমের পূর্ব প্রান্তে নির্মিত এই ব্রিজ নির্মাণের পিছনে কিন্তু সামরিক কারণও রয়েছে৷ চিন-পাক আঁতাতে নির্মিত ইকোনমিক করিডর নির্মাণের ঘোর বিরোধী ভারত৷ কিন্তু ভারতের বিরোধিতা অগ্রাহ্য করে চিন ওই বাণিজ্যিক রুট নির্মাণের কাজ স্তব্ধ করেনি৷ পাল্টা ভারতও এবার চিন সীমান্তে বাড়তি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজুত করার পথে হাঁটবে৷ অসম এবং অরুণাচল প্রদেশ এখন কৌশলগত ভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিনের সঙ্গে সম্পর্কের চূড়ান্ত অবনতি হলে সামরিক সরঞ্জাম-সহ ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং সাঁজোয়া গাড়ি দ্রুত যাতায়াতে ওই সেতু সাহায্য করবে।

দেখুন ভিডিও:

দুপুর তিনটে নাগাদ গুয়াহাটিতে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (AIIMS)-এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করবেন। এরই পাশাপাশি মেকিং অফ ডেভলপিং ইন্ডিয়া (MODI) ফেস্টিভ্যাল শুরু হয়ে যাবে। দেশের প্রায় ৯০০টি শহরে বিজেপি নেতৃত্ব এই কর্মসূচি পালন করবে। নিজের নিজের রাজ্যে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীরা। গত তিন বছরে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও সাফল্যকে মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.