Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sanjay Raut

সেপ্টেম্বরেই অবসর, RSS দপ্তরে সেকথাই জানাতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী? জল্পনা বাড়ালেন সঞ্জয় রাউত

সঞ্জয়ের মন্তব্যকে 'মুঘল সংস্কৃতি' বলে পালটা কটাক্ষ ফড়ণবিসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৫, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৫, ১৬:৪৮

options
link
সেপ্টেম্বরেই অবসর, RSS দপ্তরে সেকথাই জানাতে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী? জল্পনা বাড়ালেন সঞ্জয় রাউত zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি বছরেই প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি! আরএসএস-এর সদর দপ্তরে মোহন ভাগবতের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাতের ঘটনায় এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন শিব সেনা (উদ্ধব) সাংসদ সঞ্জয় রাউত। তাঁর দাবি, ”গত ১০-১১ বছরে প্রধানমন্ত্রী একবারের জন্যও আরএসএস-এর দপ্তরে যাননি। হঠাৎ তাঁর এই সফর আসলে মোহন ভাগবতকে টা-টা, বাই-বাই বলার জন্য।”

সোমবার মুম্বইয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেরন সঞ্জয় রাউত। সেখানে নাগপুরে আরএসএসের দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সঞ্জয় বলেন, “হয়ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের অবসরের আবেদনপত্র লিখতে আরএসএসের সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়েছেন। আমি এটুকু বেশ বুঝতে পারছি যে গোটা সংঘ পরিবার চাইছে দেশের নেতৃত্বে বদল ঘটাতে। প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদির সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। আরএসএসও প্রধানমন্ত্রী পদে বদল চাইছে, তাই মোদিকে তলব করেছেন ভাগবত। বিজেপির নতুন সভাপতিও বেছে নেবে আরএসএস।” শুধু তাই নয়, সঞ্জয় আরও জানান, “নরেন্দ্র মোদির বিদায়ের উপর সংঘের সিদ্ধান্তেই ওনার উত্তরাধিকারী বেছে নেওয়া হবে মহারাষ্ট্র থেকে।” যদিও তিনি কে তা স্পষ্ট করেননি শিব সেনা (উদ্ধব) সাংসদ।

Advertisement

সঞ্জয়ের এহেন দাবির পালটা মুখ খুলেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস। তিনি বলেন, “উনি (সঞ্জয় রাউতের) যে দাবি করেছেন তাতে বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। আগামী আরও কয়েক বছর দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নরেন্দ্র মোদিই সামলাবেন। ২০২৯ সালের নির্বাচনের পর ফের নরেন্দ্র মোদিই হবেন প্রধানমন্ত্রী। ওনার উত্তরাধিকারী খোঁজার কোনও দরকার নেই। মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রী আছেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।” পাশাপাশি মুঘল সংস্কৃতির অতীত টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সংস্কৃতিতে পিতা জীবিত থাকাকালীন উত্তরাধিকার নিয়ে কথা বলাও অনুচিত। উনি (সঞ্জয় রাউত) যে সংস্কৃতির কথা বলছেন, ওটা মুঘল সংস্কৃতি। যেখানে বাবা বেঁচে থাকাকালীন ছেলে ক্ষমতায় বসে। এটা আমাদের সংস্কৃতি নয়।”

উল্লেখ্য, রবিবার নাগপুরের রেশমিবাগে আরএসএসের সদর দপ্তরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। আরএসএসের প্রতিপদ অনুষ্ঠানেও যোগ দেন। দেশের ইতিহাসে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্ষমতায় থাকাকালীন দপ্তরে গেলেন। এর আগে ২০০০ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন আরএসএসের সদর দপ্তরে যান অটলবিহারী বাজপেয়ী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.