সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল। সবমিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির টিমে ৯ জন মন্ত্রী শপথ নিলেন। পদোন্নতি হল চার মন্ত্রীর। নতুন মুখ পাঁচজন। রদবদলে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পারফরম্যান্স, অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যকে। নতুন মন্ত্রীদের অনেকেরই প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে শপথ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিল শিব সেনা, অকালি দল এবং জেডিইউ।
[শিখদের গুরুদ্বারে ইদের নমাজ পড়লেন মুসলিমরা]
গুরুত্ব বেড়েছে চার মন্ত্রীর। ক্যাবিনেটে জায়গা পেয়েছেন পীযূষ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র প্রধান, নির্মলা সীতরমন, মুখতার আব্বাস নাকভি। এরা আগে স্বাধীন দায়িত্ব পেলেও রাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। এবার পূর্ণমন্ত্রী হলেন । মন্ত্রিসভার বদলে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পেয়েছেন পীযূষ গোয়েল। সুরেশ প্রভুর জায়গায় রেলমন্ত্রী হলেন মহারাষ্ট্রের এই সাংসদ। আগে কয়লা ও শক্তি দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন পীযূষ গোয়েল। সূত্রের খবর, তাঁর কাজে খুশি ছিলেন মোদি। তারই পুরস্কার হিসাবে পীযূষ গোয়েল রেলমন্ত্রী হলেন। রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের অন্যতম বিহারের আড়ার সাংসদ রাজ কুমার সিং। ইউপিএ সরকারের সময় স্বরাষ্ট্রসচিবের দায়িত্বে ছিলেন আর কে সিং। প্রাক্তন আইএফএস অফিসার হরদীপ সিং পুরীও শপথ নেন। হরদীপ সিং একসময় রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন। নতুন মন্ত্রী হয়েছেন যোধপুরের সাংসদ গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত। শপথ নেন বিহারের সাংসদ অশ্বিনী কুমার চৌবে। শপথ নিয়েছেন প্রাক্তন আইপিএস তথা বাগপতের সাংসদ সত্যপাল সিং। কয়েক বছর আগে তিনি মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনার ছিলেন। মন্ত্রিসভায় অন্যতম নতুন মুখ শিবপ্রতাপ শুক্লা। শিবপ্রতাপ উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। আর এক নতুন মন্ত্রী বীরেন্দ্র কুমার মধ্যপ্রদেশে থেকে ৬ বার লোকসভায় নির্বাচিত হয়েছেন। কর্নাটকের সাংসদ অনন্ত কুমার হেগড়ে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন। ২৮ বছরে তিনি প্রথমবার সাংসদ হয়েছিলেন। নতুন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন আলফোন্স কান্নানথানম। দিল্লিতে জবরদখল উচ্ছেদ করে ‘ডেমলিশন ম্যান’ হিসাবে তিনি পরিচিতি পেয়েছিলেন।
[কাশ্মীর ছিনিয়ে নিতে হবে, ফের বেপরোয়া জামাত নেতা মাক্কি]
তবে এদিন এনডিএর এই শপথ অনুষ্ঠানে শরিকদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। শিব সেনার পাশপাশি শপথ এড়ায় জেডিইউ। সূত্রের খবর, মন্ত্রিত্ব নিয়ে মতান্তর হওয়ায় নীতীশ কুমারের দল শপথে যায়নি। জেডিইউ নেতা কেসি ত্যাগী জানান তাঁদের এই অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি। এমনকী সরকারে থাকেলও অকালি দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এনসিপি এবং এডিএমকেরও এই যাত্রায় মন্ত্রিসভায় জায়গা হল না।
সর্বশেষ খবর
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ
-
‘পিঠে বানাতে’ বিধায়ক কার্যালয়ে মহিলাদের ডাক! গ্রেপ্তার বর্ধমানের ‘শাহজাহান’ খোকন
-
৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক কসরত! ভিডিও দেখে হতবাক নেটপাড়া, উঠল সমালোচনার ঝড়
-
অবশেষে সুখবর দিল হাওয়া অফিস, নিনো ভ্রুকুটির মাঝেই দেশে ঢুকেছে বর্ষা!
-
রাহুলের মৃত্যুতে আচমকা বন্ধ ‘চিরসখা’, দুমাস পর ছোট পর্দায় প্রত্যাবর্তন ‘কমলিনী’র, কোন ভূমিকায় অপরাজিতা?