Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পরিবেশ রক্ষায় আমেরিকার সঙ্গে হাত মেলাল ভারত, যৌথ উদ্যোগ ঘোষণা মোদির

আধুনিক জগতের দাবিতে বিপন্ন প্রকৃতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২১, ১২:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২১, ১২:১৮

options
link
পরিবেশ রক্ষায় আমেরিকার সঙ্গে হাত মেলাল ভারত, যৌথ উদ্যোগ ঘোষণা মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আধুনিক জগতের দাবি মেটাতে গিয়ে বিপন্ন প্রকৃতি। সবুজ গ্রহের অস্তিত্ব সংকটে ফেলে প্রতিদিন বাড়ছে দূষণের মাত্রা। এহেন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষায় আমেরিকার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

[আরও পড়ুন: আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে, নিজেদের স্পেস স্টেশন বানাচ্ছে রাশিয়া]

বৃহস্পতিবার পরিবেশ রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ‘ইন্ডিয়া-ইউএস ক্লাইমেট এণ্ড ক্লিন এনার্জি এজেন্ডা ২০৩০ পার্টনারশিপ’ নামের যৌথ উদ্যোগ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বলে রাখা ভাল, আমেরিকার উদ্যোগে প্রায় ৪০টি দেশকে নিয়ে শুরু হয়েছে দু’দিনের আবহাওয়া বৈঠক। সেখানে ভারচুয়ালি অংশগ্রহণ করেন মোদি। এছাড়া, ওই সামিটে পরিবেশের স্বার্থে বিরোধ ভুলে যোগ দেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও আমি মিলে ‘ইন্ডিয়া-ইউএস ক্লাইমেট এণ্ড ক্লিন এনার্জি এজেন্ডা ২০৩০ পার্টনারশিপ’ নামের যৌথ উদ্যোগ শুরুর ঘোষণা করছি। এর মাধ্যমে দূষণমুক্ত প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ তৈরি ও তার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল গড়ার দিকে কাজ করব। এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশ দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করার উদ্দেশে একসঙ্গে কাজ করবে।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden) উদ্যোগে আবহাওয়া বৈঠকে ভারচুয়ালি যোগ দেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তিতে আমেরিকার প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিল চিন। গত সপ্তাহে বেজিংয়ে এই বৈঠকে বসাতে রাজি করাতে সক্ষম হয় আমেরিকা। সাংহাইতে চিনের আবহাওয়ামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন আবহাওয়া দূত জন কেরি। কূটনৈতিক মহলের দাবি, আবহাওয়া বাঁচাতে চিন-মার্কিন একযোগে কাজ করা প্রয়োজন বলে ওই বৈঠকে বেজিংকে বোঝাতে সক্ষম হন কেরি। মূলত তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই জিনপিংকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ।  

[আরও পড়ুন: আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে, নিজেদের স্পেস স্টেশন বানাচ্ছে রাশিয়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.