Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
PM Narendra Modi

বাংলাকে অর্থ জোগানে নির্দেশ সব মন্ত্রককে, বাধা কাটতেই শুভেন্দুর সরকারের পাশে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তর থেকে সরাসরি নির্দেশ গিয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে টাকার অভাবে পশ্চিমবঙ্গের কোনও উন্নয়নমূলক কাজ যাতে আটকে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরেই কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রকের অন্দরে শুরু হয়েছে তৎপরতা।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ০৮:৪৩

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৬, ০৮:৪৩

options
link
বাংলাকে অর্থ জোগানে নির্দেশ সব মন্ত্রককে, বাধা কাটতেই শুভেন্দুর সরকারের পাশে প্রধানমন্ত্রী zoom
বাংলাকে অর্থ জোগানে সব মন্ত্রককে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর। ফাইল ছবি

চূড়ান্ত রাজনৈতিক টানাপোড়েন, দীর্ঘ প্রশাসনিক জট এবং কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের অধ্যায় পেরিয়ে অবশেষে বাংলাকে নিয়ে নয়া কৌশলে এগোতে শুরু করল কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তর থেকে সরাসরি নির্দেশ গিয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে টাকার অভাবে পশ্চিমবঙ্গের কোনও উন্নয়নমূলক কাজ যাতে আটকে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরেই কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রকের অন্দরে শুরু হয়েছে তৎপরতা।

কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কীভাবে পশ্চিমবঙ্গকে বেশি অর্থ বরাদ্দ করা যায়, তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলি। শুধু তাই নয়, বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, আবাসন, গ্রামীণ সড়ক, স্বাস্থ্য ও কৃষিক্ষেত্রে বাংলার যে বকেয়া অর্থ আটকে রয়েছে, তা দ্রুত মেটানোর রাস্তাও খোঁজা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কীভাবে পশ্চিমবঙ্গকে বেশি অর্থ বরাদ্দ করা যায়, তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলি। শুধু তাই নয়, বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, আবাসন, গ্রামীণ সড়ক, স্বাস্থ্য ও কৃষিক্ষেত্রে বাংলার যে বকেয়া অর্থ আটকে রয়েছে, তা দ্রুত মেটানোর রাস্তাও খোঁজা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি বাংলার উন্নয়ন নিয়ে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে নজর রাখছেন। সূত্রের দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও খোঁজখবর নিচ্ছেন। কেন্দ্রের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, “বাংলার মতো বড় রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে প্রত্যাশাও অনেক বেড়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সহায়তা ছাড়া দ্রুত কাজ এগোনো কঠিন।”

Advertisement

বিশেষ করে গ্রামীণ উন্নয়ন, সড়ক পরিবহণ, আবাস যোজনা ও বিপর্যয় মোকাবিলা খাতে দ্রুত অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য সরাসরি কোনও ‘বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ’ ঘোষণা নিয়ে আপাতত সতর্ক কেন্দ্র। কারণ, তেমন হলে বিজেপি শাসিত অন্য রাজ্যগুলিও একই দাবি তুলতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই কেন্দ্রের পরিকল্পনা, চলতি প্রকল্প ও বিশেষ বরাদ্দের কাঠামোর মধ্য দিয়েই বাংলাকে বাড়তি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। অতীতে বিহার ও অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রে যে কৌশল নেওয়া হয়েছিল, বাংলার ক্ষেত্রে সেই পথেই হাঁটতে চাইছে মোদি সরকার।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এর পিছনে রয়েছে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তাও। বিজেপি চাইছে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজের গতি দেখাতে। আর তার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থের জোগান। আগামী জুন মাসেই রাজ্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটেই ‘চমক’ রাখতে হলে রাজ্যের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ জরুরি। কেন্দ্রও তা ভালোভাবেই বুঝছে। দিল্লির রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলাকে ঘিরে কেন্দ্রের এই সক্রিয়তা আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতেও তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। কারণ, দীর্ঘ দিন পরে বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ প্রশাসনিক স্থিতি ও উন্নয়নের গতি বজায় রাখা। আর সেই পরীক্ষাতেই আপাতত শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের পাশে দাঁড়াতে চাইছে কেন্দ্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.