সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আড়াই বছর ধরে জ্বলছে মণিপুর। চূড়াচাঁদপুরে মৃত্যু হয়েছে ২৬০ জনের। বাস্তুহারা বহু মানুষ। বিরোধীদের গঞ্জনার উত্তর দিয়ে অবশেষে মণিপুরে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নয়নের পসরার পাশাপাশি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তিনি। সংঘর্ষে লিপ্ত কুকি এবং মেতেইদের উদ্দেশেও বার্তা দিয়েছেন। বিকেলে ইম্ফলের সভা থেকে দুই দলকেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৃষ্টিস্নাত শনিবারে ইম্ফলের সভা থেকে মেতেই এবং কুকিদের নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতির সেতু গড়ে একসঙ্গে থাকার বার্তা দিয়েছেন মোদি। ইম্ফলের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মণিপুরে যেকোনও ধরনের হিংসা দুঃখজনক। এই হিংসা আমাদের পূর্বপুরুষ এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি এক বিরাট অবিচার। আমাদের মণিপুরকে শান্তি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমাদের একসঙ্গে এই কাজ করতে হবে।”
শনিবার চূড়াচাঁদপুরের জনসভা থেকে হিংসা ভুলে শান্তির আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বার্তা, ‘উন্নয়নের জন্য শান্তি জরুরি।’ উত্তর-পূর্বের রাজ্যে উন্নয়নের মেশিন চালিয়ে যেতে সংঘাত থামানোর আর্জি জানান তিনি। চূড়াচাঁদপুরের সভায় মোদি বলেন, “আশা ও বিশ্বাসের নয়া সকাল শুরু হয়েছে মণিপুরে। তবে উন্নয়নের জন্য শান্তি প্রয়োজন। গত ১১ বছরে একাধিক সংঘাত হয়েছে এখানে। তবে মানুষ শান্তির পথই বেছেছেন।”
সরকার যে মণিপুরের হিংসা থামাতে লাগাতার কাজ করছে সে কথা মনে করিয়ে মোদি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মণিপুরে সমস্ত গোষ্ঠীর মধ্যে সমঝোতা করিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বার্তা দেন, “আপনাদের পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সকলে শান্তির পথে ফিরুন। আমি আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।”
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি