সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ সাল সোমনাথ মন্দিরে প্রথম হামলার ১০০০ বছর। সেই উপলক্ষে রবিবার ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্দির চত্বরে দাঁড়িয়েই কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই অতীতের শাসকরা সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাস মোছার ঘৃণ্য চেষ্টা করেছিলেন।”
২০২৬ সাল সোমনাথ মন্দিরে প্রথম হামলার ১০০০ বছর। রবিবার ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বক্তৃতা দিতে গিয়ে মোদি এই অনুষ্ঠানকে গভীর অর্থবহ এবং ভারতের স্থায়ী বিশ্বাসের প্রতীক হিসাবে বর্ণনা করেন। এরপরই মোদি বলেন, “অতীতে ভারতের বীরদের ইতিহাস মুছে ফেলার ইচ্ছাকৃত চেষ্টা করা হয়েছিল। মানুষকে শেখানো হয়েছিল যে সোমনাথ মন্দির কেবল লুটের জন্য ধ্বংস করা হয়েছিল। কিন্তু আসল ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।” কংগ্রেসকে সমালোচনা করে তিনি বলেন, “দাসত্বের মানসিকতার কারণে কিছু লোক সোমনাথ মন্দিরের গুরুত্ব এবং এর ঐতিহ্য উপেক্ষা করেছেন।” প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই প্রচেষ্টা ভারতের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক চেতনাকে দুর্বল করে দিয়েছে। মোদির কথায়, “স্বাধীনতার পর বল্লভভাই প্যাটেলকে সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ যখন মন্দির পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন তখন আপত্তি ওঠে।”
উল্লেখ্য, ১০২৬ সালে প্রথমবার আক্রান্ত হয় সোমনাথ মন্দির। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আডবাণী। আর চলতি ২০২৬ সালের ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ৭৫ বছর পূর্ণ হবে। রবিবার সকাল ৯টা বেজে ৪৫ মিনিটে শুরু হয় শৌর্য যাত্রা। এরপর ১০টার কিছু পড়ে ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরে পুজো দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সদভাবনা ময়দানে ভাষণ দেন মোদি।
সর্বশেষ খবর
-
টিকিটাকায় ধরাশায়ী অস্ট্রিয়া, দুর্বার গতিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের