Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

নজরে ভোট, বিহারের নয়া ৩০টি প্রকল্পের জন্য সাড়ে চার হাজার কোটি বরাদ্দ করছেন মোদি

মৎস্য সম্পদ যোজনার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২০, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২০, ১৪:১১

options
link
নজরে ভোট, বিহারের নয়া ৩০টি প্রকল্পের জন্য সাড়ে চার হাজার কোটি বরাদ্দ করছেন মোদি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বিধানসভা নির্বাচনগুলিতে উল্লেখযোগ্য ফল করতে ব্যর্থ বিজেপি (BJP)। তাই আপাতত গেরুয়া শিবিরের পাখির চোখ বাংলা-বিহার (Bihar)। এই দুই রাজ্যের মন জয় করতে আপাতত কল্পতরু কেন্দ্র সরকার। বৃহস্পতিবার পশুপালক ও মৎস্যজীবীদের জন্য নতুন প্রকল্প ও নয়া অ্যাপের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারচুয়াল মঞ্চ থেকেই কথা বললেন বিহারের বিভিন্ন প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের সঙ্গেও।

এদিন ভারচুয়ালভাবে মৎস্য সম্পদ যোজনার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। যার মূল লক্ষ্য মৎস্যচাষের সার্বিক উন্নয়ন। উৎপাদন থেকে বিপণন সবক্ষেত্রেই জোর দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের জন্য ২০ হাজার ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যার সুযোগ পাবেন দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মৎস্যজবীবী। এ প্রসঙ্গে এ দিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই প্রকল্প থেকে মাছ চাষ ও বিপণনের সঙ্গে যুক্ত সকলেই সুবিধা পাবে। আমাদের লক্ষ্য আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে আপাদের উৎপাদন দ্বিগুন করা।” পাশাপাশি, পশুপালন পেসশার সঙ্গে যুক্ত সকলের জন্য ই-গোপালা অ্যাপের উদ্বোধন করেন। যেখানে এ সংক্রান্ত প্রায় সমস্তরকম তথ্যই থাকবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : করোনা আবহে কমেছে আয়, চলতি বছরের সুদ দুই কিস্তিতে দেবে ইপিএফও]

প্রসঙ্গত, বিহারে বিজেপি সূত্রে খবর, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিহারে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার নয়া প্রকল্পের ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যা বিহারের ৩৮টির মধ্যে ২১টি জেলার মানুষদের সুবিধা দেবে। সূত্রের খবর, যে সমস্ত এলাকায় পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি, সেই জেলাগুলির জন্যই প্রকল্পগুলি বরাদ্দ করা হবে। প্রকল্পগুলির বেশিরভাগই চাষবাস ও মাছচাষের সঙ্গে যুক্ত। তবে কিছু রেল স্টেশন, সরকারি আবাস যোজনা ও প্রাকৃতিক গ্যাস সংক্রান্তও হতে পারে। 

যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলেপর দাবি, পরিযায়ী শ্রমিকদের বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভকে ভোটবাক্সে কাজে লাগাতে চাইবে বিরোধীরা। তাদের সেই কৌশল বুঝেই আগেভাগে ক্ষতয় প্রলেপ দিতে নেমেছে গেরুয়া শিবির।

[আরও পড়ুন : দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, সরকারিভাবে ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল রাফালে যুদ্ধবিমান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.