Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

নীরব মোদির সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরের পদ ছাড়লেন প্রিয়াঙ্কা

সংস্থার সঙ্গে করা সমস্ত চুক্তি ছেড়ে বেরিয়ে এলেন অভিনেত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ২০:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৮, ২০:১০

options
link
নীরব মোদির সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরের পদ ছাড়লেন প্রিয়াঙ্কা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশ ছেড়ে পলাতক ধনকুবের নীরব মোদির বিরুদ্ধে আগেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এবার তাঁর সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন বলিউড অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে নীরব মোদির গয়নার কোম্পানির সঙ্গে সমস্ত চুক্তি ছেড়ে বেরিয়ে এলেন তিনি।

গত বছর জানুয়ারিতে নীরবের সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছিলেন দেশের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী। তিনটি মহাদেশে রয়েছে এই সংস্থার শোরুম। যেখানে পাঁচ লক্ষ থেকে ৫০ কোটি টাকা মূল্যের গয়না বিক্রি হয়। তারই মুখ হয়ে ধরা দিয়েছিলেন প্রি চপস। কিন্তু নীরব মোদির মুখোশ খুলে যাওয়ার পরই নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার মুখপাত্র জানান, সম্প্রতি নীরব মোদির বিরুদ্ধে যে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তারপর আর তাঁর কোম্পানির সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক রাখতে চান না কোয়ান্টিকো খ্যাত অভিনেত্রী। সেই কারণেই নীরব মোদির সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানলেন তিনি। মোদির গহনার কোম্পানির হয়ে বিজ্ঞাপন করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। বিজ্ঞাপনে তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন স্পেস শেয়ার করেছিলেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। বিভিন্ন ভারতীয় ও বিদেশি চ্যানেলে দেখানোও হয়ে গিয়েছে সেই বিজ্ঞাপন। অথচ এতদিনেও নিজের পারিশ্রমিক পাননি প্রিয়াঙ্কা। যা নাকি দেওয়ার কথা ছিল হীরে ব্যবসায়ী নীরবের। তখন বিষয়টিকে নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব না দিলেও নীরবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কথা ফাঁস হতেই নড়েচড়ে বসলেন প্রিয়াঙ্কা।

[চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, আহতের সঙ্গে হাসি মুখে সেলফি তুলতে ব্যস্ত জনতা]

দেশের ব্যাঙ্কিং পরিষেবায় বড়সড় দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হয়েছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে প্রায় ১১,৫০০ কোটি টাকার প্রতারণামূলক লেনদেনের হদিশ মিলেছে এতদিনে। নীরব মোদির বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে ইডি। দায়ের হয়েছে আর্থিক তছরুপের মামলা। তবে ইডির নোটিসেও ঘুম ভাঙেনি ফেরার অভিযুক্ত ধনকুবের নীরব মোদির। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত তিনি। তাই ইডির ডাকে হাজিরা দিতে পারবেন না। বৃহস্পতিবারও পলাতক ধনকুবের নীরবের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে ইডি। নীরবের সংস্থা থেকে সিজ করা হয়েছে ১৭৬টি স্টিলের আলমারি ও আমদানি করা ঘড়ি। হংকংয়ের একটি ব্যাংককে চিঠি পাঠিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক আর্থিক বেনিয়মের শিকড়ের খোঁজ করছে। এদিকে নীরব মোদির দুর্নীতির প্রতিবাদে শুক্রবার নীরবের সংস্থা গীতাঞ্জলি জেমস-এর কর্মীরা মুম্বইতে গণপদত্যাগ করেন।

[দুঃস্থ মহিলাদের বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন দিতে এবার দেশে ‘প্যাড ব্যাংক’]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.