সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজেদের দলীয় চিহ্নে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে। শনিবারই হয়ে গিয়েছে কর্ণাটক নির্বাচন। তারপরই এই খবর সামনে এসেছে। এক ভোটার এমনই দাবি করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ভোটার জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে দুই দলের প্রতিনিধিরা তাঁর বাড়িতে এসেছিল। তাকে টাকা দেয় ও সেই নির্দিষ্ট দলের চিহ্নে ভোট দেওয়ার আবেদন করে। “নির্বাচনের আগে আমরা কংগ্রেস ও বিজেপি, প্রতি দলের থেকে ৫০০ টাকা করে পেয়েছি। ভোট দেওয়ার জন্য এলাকার প্রতিটি ভোটার একহাজার টাকা করে পেয়েছে।” বলেন তিনি।
[ কর্ণাটকে মোদি-রাহুলের মহাযুদ্ধ, কড়া নিরাপত্তায় শুরু ভোটগ্রহণ ]
রাজনৈতিক দলগুলির সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার প্রার্থী ও ভোটারদের প্রয়োজন অনুযায়ী ‘রেট’ ফিক্স করা হয়েছিল। এও জানা গিয়েছে, কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামালিঙ্গ রেড্ডি লড়ছেন বিজেপির লালেশ রেড্ডির বিরুদ্ধে। তিনি আবার জনার্দন রেড্ডির ভাইপো। তাঁদের এলাকার ভোটারদের প্রতি দলের তরফ থেকে দু’হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় অবশ্য ভোটার পিছু কম টাকা খরচ হয়েছে। সেখানে সম্প্রদায় অনুযায়ী ভোটাদের টাকা ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। টাকা দেওয়ার জন্য বিশেষ করে টার্গেট করা হয়েছে এলাকার যুবকদের।
[ ঔরঙ্গাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষে দায়ের তিনটি অভিযোগ, আটক বহু ]
কর্ণাটকের বাদামীতে আবার চলেছে অন্য পরিকল্পনা। সেখানে ৩০০টি বাড়ির জন্য ১৫ হাজার টাকা ও অ্যালকোহলের বোতল দেওয়া হয়েছে। এই এলাকায় কংগ্রেস তরফে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। বিজেপির বি শ্রীরামুলুর সঙ্গে লড়ছেন তিনি। একজন জানিয়েছেন, উপরতলা থেকে নির্দেশ এসেছিল প্রতি ভোটারকে ৭০০ টাকা করে দিতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতি ভোটারকে দু’হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে।
ভোটারদের টাকা দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে, তাহলে ভোটারদের কি ঘুষ দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি? এই প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য এখনও দুই দলই স্পিকটি নট।
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!