Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
প্রশান্ত কিশোর

‘১১ ফেব্রুয়ারি দেখা হচ্ছে’, বিজেপিকে খুল্লমখুল্লা চ্যালেঞ্জ প্রশান্ত কিশোরের!

কেন এমন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন পিকে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ১৭:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ১৭:১৫

options
link
‘১১ ফেব্রুয়ারি দেখা হচ্ছে’, বিজেপিকে খুল্লমখুল্লা চ্যালেঞ্জ প্রশান্ত কিশোরের! zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন প্রশান্ত কিশোর। এক টুইট বার্তায় আম আদমি পার্টির নির্বাচনী পরামর্শদাতার হুঁশিয়ারি, ১১ ফেব্রুয়ারি মানুষ নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়ে দেবে। তাই আপাতত অপেক্ষা ১১ ফেব্রুয়ারির। টুইটে বিজেপির নাম না করলেও, তাঁর লক্ষ্য যে গেরুয়া শিবিরই, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সোমবার ৭০ আসনবিশিষ্ট দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ভোটগ্রহণ। ফলপ্রকাশ হবে ১১ ফেব্রুয়ারি। প্রশান্ত কিশোরের দাবি, সেদিনই দিল্লির মানুষ নিজেদের শক্তি দেখিয়ে দেবে। সেকারণেই তাঁর সংক্ষিপ্ত টুইট, ১১ তারিখ দেখা হবে। যা একপ্রকার খুল্লমখুল্লা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

[আরও পড়ুন: আগামী মাসেই নির্বাচন রাজধানীতে, দিনক্ষণ ঘোষণা করল কমিশন]

মাস দুয়েক আগেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রশান্ত কিশোরকে পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তারপর থেকে দিল্লিই পিকের ধ্যানজ্ঞান। দিল্লির মসনদ দখলের লড়াইও এরাজ্যের মতো একপ্রকার পিকে বনাম বিজেপি লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে নিজের দুর্দান্ত রেকর্ড বজায় রাখতে মরিয়া পিকে। তাই ১১ তারিখ ফলাফলের দিকে তাঁর নিজেরও নজর রয়েছে। তবে, কেজরিওয়ালের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে দিল্লিতে ভাল ফলের ব্যপারে একপ্রকার নিশ্চিত প্রশান্ত কিশোর। সে কারণেই হয়তো, বিজেপিকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করার সাহস পাচ্ছেন তিনি।

Arvind Kejriwal
বেশ কিছুদিন ধরেই এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে যাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর দল জেডিইউ সিএএ এবং এনআরসিকে সমর্থন করলেও প্রশান্তের অবস্থান একেবারে ভিন্ন। এই ইস্যুতে একই সঙ্গে বিজেপি এবং কংগ্রেস দুই দলকেই আক্রমণ শানিয়ে চলেছেন পিকে। রাজনৈতিক মহলের মত, পরিকল্পিতভাবেই সিএএ এবং এনআরসি বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। যাতে, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে সিএএ বিরোধী জনমতের ফায়দা তুলতে পারেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এখন দেখার ১১ তারিখ প্রশান্ত কিশোর শেষ হাসি হাসেন নাকি, বিজেপি নেতারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.