সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবে এক দেশ, এক ভোটের পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। অনেকটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুরেই রাষ্ট্রপতি বলছেন, “এক দেশ, এক ভোট চালু হলে প্রশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। নীতিপঙ্গুত্ব দূর হবে।”
সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলছেন, “বড় মানের যে কোনও সংস্কারের জন্যই সাহসী দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন হয়। এমনই এক সাহসী সিদ্ধান্ত হতে চলেছে সদ্য সংসদে পেশ হওয়া এক দেশ-এক নির্বাচন বিল। এই প্রস্তাব আইনে পরিণত হল সুশাসনের নতুন সংজ্ঞা তৈরি হবে।” রাষ্ট্রপতির মতে, এক দেশ, এক ভোট নীতি প্রশাসনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে, নীতি পঙ্গুত্ব রুখবে, সম্পদের বিভাজন রুখবে, একই সঙ্গে অর্থনীতির উপর চাপও কমাবে।
সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে রাষ্ট্রপতির এভাবে এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করাটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। সচরাচর সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে জাতির উদ্দেশে ভাষণে সরকারের বক্তব্যই পেশ করেন রাষ্ট্রপতি। তাতে সরকারের ভালো কাজের দিক তুলে দেওয়া হয়। যে বিল এখনও পাশ হয়নি, সংসদে যে বিল নিয়ে এখনও পর্যালোচনা চলছে, যে বিল পাশ করানোর জন্য সংবিধানের সংশোধনী প্রয়োজন, সেই ধরনের বিল নিয়ে সওয়াল করাটা বিরল। রাষ্ট্রপতি এক দেশ এক ভোট নিয়ে সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালের ভাষণে সওয়াল করার অর্থ, আগামী দিনে যে কোনও মূল্যে এই বিল পাশ করাতে চাইবে মোদি সরকার।
উল্লেখ্য, সংসদে পেশ হলেও এখনও পাশ হয়নি এক দেশ, এক ভোট বিল। এই বিল পাশ করাতে সংবিধানে সংশোধনীর প্রয়োজন। আপাতত মোদি সরকারের হাতে সেই সংখ্যাবল নেই। আপাতত বিলটিকে পাঠানো হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। মোদি সরকার এই বিল পাশ করাতে বিরোধীদেরও সমর্থন চাইছে।
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ