২১ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

গঙ্গাবক্ষে নৌকাবিহারে প্রিয়াঙ্কা, প্রচারের আগেই শুরু ‘টেম্পল রান’

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: March 18, 2019 2:55 pm|    Updated: March 18, 2019 3:36 pm

An Images

নন্দিতা রায়: দাদার পথেই বোন৷ রাহুল গান্ধীর মতো ‘টেম্পল রান’-এর মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশে প্রচার শুরু করলেন কংগ্রেসের সদ্য নিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক, তথা সভাপতি রাহুল গান্ধীর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা। উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর দলীয় কর্মীদের সঙ্গে একাধিক ম্যারাথন বৈঠক করলেও, সরাসরি প্রচারে তিনি নামলেন এই প্রথম। আর শুরুতেই প্রিয়াঙ্কা বেছে নিলেন সেই গঙ্গাকে, যাকে হাতিয়ার করে ২০১৪ সালে উত্তরপ্রদেশে বাজিমাত করেছিলেন  নরেন্দ্র মোদি। আসলে ‘মা গঙ্গা’র প্রতি উত্তরপ্রদেশ তথা উত্তর ভারতের হিন্দুদের আলাদা একটা ধর্মীয় আবেগ জড়িয়ে, তাই প্রিয়াঙ্কাও নিজের প্রচারাভিযানে হাতিয়ার করলেন গঙ্গাকেই।

[দিল্লির মসনদে মোদিকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বন্ধু পারিকরই]

৩ দিনের নৌকাবিহার দিয়ে শুরু হল প্রিয়াঙ্কার প্রচারাভিযান। তাঁর আগে দাদা রাহুল গান্ধীর মতোই তিনিও মন্দির দর্শন দিয়ে শুরু করলেন প্রচার৷ সোমবার প্রথমে কংগ্রেসের নবনিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক যান প্রয়াগরাজের ছোটা হনুমান মন্দিরে। সেখানে প্রথামতো পুজো দেন প্রিয়াঙ্কা। সেখান থেকে তিনি চলে যান ত্রিবেণী সঙ্গমে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর শুরু করলেন গঙ্গাবিহার। প্রয়াগরাজের মানাইয়া ঘাট থেকে শুরু হল এই অভিযান শুরু হয়েছে। চলবে ৩ দিন ব্যাপী । শেষ হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে। এদিন ত্রিবেণী সঙ্গমে প্রিয়াঙ্কার ভাষণ শোনার জন্য কংগ্রেস নেতা, কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদকের বার্তা, ‘ভোট দেওয়ার আগে ভাবুন, প্রধানমন্ত্রী শুধু বড় বড় শিল্পপতিদের পক্ষে, আপনাদের পক্ষে নন।’ শুধু এক জায়গায় নয়, যাত্রাপথে মাঝে মাঝেই দেখা গিয়েছে, নদীর ধারে অসংখ্য মানুষের সমাগম। তাঁদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান প্রিয়াঙ্কা। মাঝে মাঝে তীরে নেমে কথাও বলেন কর্মীদের সঙ্গে।

[টুইটারে নাম বদলের হিড়িক বিজেপি নেতাদের মধ্যে, কেন জানেন?]

যাত্রা শুরুর আগে অবশ্য, আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ কাজ করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। একটি টুইট করে নিজের ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতিও উসকে দিয়েছেন৷  টুইটারে ইন্দিরা গান্ধীর জন্মস্থান স্বরাজ ভবনের একটি ছবি পোস্ট করে প্রিয়াঙ্কা লেখেন, “স্বরাজ ভবনে বসলেই আমার ঠাকুমার কথা মনে পড়ে। উনি প্রতিদিন আমাকে রাতে ঘুম পাড়াতেন গল্প বলে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল জোয়ান অফ আর্কের গল্প৷ তাঁর বলা কথাগুলি এখনও আমার মনে প্রতিধ্বনিত হয়। উনি আমায় বলতেন, সাহসী হও, তোমার ভাল হবেই।” আসলে প্রিয়াঙ্কার মধ্যে অনেক কংগ্রেস কর্মীই ইন্দিরার ছায়া খোঁজেন। এদিন সেই, আবেগ উসকে দেওয়ার চেষ্টায় একবিন্দু কসুর করেননি প্রিয়াঙ্কা।

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement