২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

মাঝরাস্তায় কনভয় আটকাল পুলিশ, হেঁটেই হাথরাসের পথে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: October 1, 2020 2:39 pm|    Updated: October 1, 2020 2:41 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাথরাস কাণ্ড (Harthras Gang Rape) নিয়ে পুরোদমে রাজনীতি শুরু হয়ে গেল। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) এবং রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কনভয়। দিল্লি-নয়ডা সীমান্তেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ কংগ্রেসের দুই শীর্ষনেতার কনভয় আটকে দেয়। উত্তরপ্রদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি কংগ্রেস কর্মীদের। তবে তাতে দমে না গিয়ে পায়ে হেঁটেই হাথরাসের পথে যাত্রা শুরু করেছেন ভাই-বোন।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি যে কোনও মুল্যে হাথরাস পৌঁছে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চান। প্রয়োজনে ১০০ কিলোমিটার রাস্তায় পায়ে হাঁটবেন। উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের কথায়,”আমি মহিলা। আমার ১৮ বছরের মেয়ে আছে। ওঁরা নিজেদের হিন্দু ধর্মের রক্ষাকর্তা বলেন। বলুন কোন ধর্মগ্রন্থে লেখা আছে যে একজন মেয়ের চিতাতে তাঁর বাবা আগুন দিতে পারবে না। এই দেশের প্রত্যেক মহিলার, প্রত্যেক কন্যা সন্তানের রাগ হওয়া স্বাভাবিক। মহিলাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের দায় যোগী সরকারকে নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে নিতে হবে। আজ উত্তরপ্রদেশে প্রতিদিন ১১জন মহিলা ধর্ষিতা হন।” প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশ সরকারের ঘুম ভাঙাতে তাঁদের হাথরাস অভিযান করাটা জরুরি।

[আরও পড়ুন: ‘যৌনতা পুরুষদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি, বেকারত্বের জন্য বাড়ছে ধর্ষণ’, আজব যুক্তি কাটজুর]

যদিও, উত্তরপ্রদেশ সরকার শেষপর্যন্ত তাঁদের হাথরাসে ঢোকার অনুমতি দেবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, নয়ডা থেকে হাথরাস পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে একাধিক জায়গায় পুলিশ তাঁদের রাস্তা আটকানোর প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। তাছাড়া হাথরাসের সীমানাও সিল দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকাকে কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে যোগী সরকার।

[আরও পড়ুন: কৃষি আইনের প্রতিবাদে এবার পথে নামছেন রাহুল, যোগ দেবেন কংগ্রেসের ‘কিষাণ যাত্রা’য়]

ইতিমধ্যেই নির্যাতিতার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। যাতে স্পষ্ট, ধর্ষণের পর নির্যাতিতার গলা টিপে খুনের চেষ্টা করেছিল দুষ্কৃতীরা। যদিও, গলা টেপার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে কিনা সেটা স্পষ্ট হবে ভিসেরা রিপোর্ট আসার পরই। ভিসেরা রিপোর্ট আসতে অবশ্য আরও অন্তত দিন দশেক সময় লাগবে। এদিকে ঘটনার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে যোগী সরকার নিযুক্ত বিশেষ তদন্তকারী দল। সাতদিনের মধ্যে এই তদন্তকারী দল রিপোর্ট দেবে। বৃহস্পতিবারই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে এই SIT।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement