সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চার দশকে দেশের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বড় পতন। নেপথ্যে মূলত বৃষ্টিপাতের খামখেয়ালিপনা। সম্প্রতি সরকারি তথ্য (গ্রিড ইন্ডিয়া ডেটা) নিয়ে করা রয়টার্সের বিশ্লেষণে প্রকাশ্যে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথা।
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবর্ষে ভারতে মোট উৎপন্ন জলবিদ্যুতের পরিমাণ ছিল ৮.৩ শতাংশ, যা রেকর্ড সর্বনিম্ন বিগত ৩৮ বছরের ইতিহাসে। তথ্য বলছে, দেশের সর্ববৃহৎ বিশুদ্ধ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনে ১৬.৩ শতাংশ ঘাটতি হয়েছে। এই ক্ষেত্রে, একই সময়ে পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনের পরিমাণ ১১.৭ শতাংশ। ঠিক এক বছর আগে এর হারও ছিল বেশি, অন্তত ১১.৮ শতাংশ।
[আরও পড়ুন: ‘নির্বোধের মতো কাজ’, অরুণাচলের ৩০ এলাকার চিনা নামকরণ নিয়ে তোপ নয়াদিল্লির]
প্রসঙ্গত, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশের তালিকায় ভারত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। স্বাভাবিকভাবেই বায়ুদূষণের হার এখানে চড়া। এর প্রধান কারণ, তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশ বাঁচাতেই জলবিদ্যুৎ এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য অন্যান্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রের উপর সরকার জোর দিচ্ছে।
কিন্তু জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হিসাবে যে নিরবিচ্ছিন্ন জলের যোগান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বৃষ্টিপাতের অপ্রতুলতার জন্য তা পূরণ করা সম্ভব হয় না। এ কথা সর্বজনবিদিত যে, প্রতি বছর দেশে বৃষ্টিপাত সমান হারে হয় না। অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি মার খায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টিই। তথ্য বলছে, এ বছরও এপ্রিল-জুন মাসে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের হার নিম্নমুখীই থাকবে। প্রসঙ্গত, ২০২৩-২৪ সালে দেশের তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের হার বেড়ে হয়েছে ১৩.৯ শতাংশ।
[আরও পড়ুন: মাথার দাম ছিল ২৯ লাখ! পুলিশি অভিযানে খতম মহিলা মাওবাদী ক্রান্তি]
সর্বশেষ খবর
-
আমেরিকার উপর নজরদারি ইজরায়েলের! গুপ্তচরদের নজর এড়াতে সতর্ক মার্কিন গোয়েন্দারা
-
সাত বছরের অপেক্ষার অবসান, বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে ফের সাফ মহিলা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ভারত
-
তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয়ে কন্ডোম, গুদাম থেকে মিলল প্রচুর ত্রাণ! চাঞ্চল্য খণ্ডঘোষে
-
‘সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আবার হাওয়া বদল!’ রুদ্রনীলকে পাশে নিয়ে আর কী বললেন পরমব্রত?
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও