Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
নরেন্দ্র মোদি

‘পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নির্যাতন নিয়েও প্রতিবাদ করুন’, CAA বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির

৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদ বিদায় নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২০, ১৩:৫৫

options
link
‘পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নির্যাতন নিয়েও প্রতিবাদ করুন’, CAA বিরোধীদের কটাক্ষ মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিক্ষোভ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। প্রথমে বিষয়টি নিয়ে ধীরে চলো নীতিতে চলছিল শাসকদল বিজেপি। মানুষকে সংযত থাকার বার্তা দিলেও বিষয়টি নিয়ে সেই অর্থে মুখ খোলেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুদিন আগে এক ধর্মগুরুর ভিডিও টুইট করে, এবিষয়ে তাঁর মন্তব্য শুনতে বলেন। কিন্তু, সেটি নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। তবে নতুন বছরের শুরুতেই এই আইন নিয়ে সরাসরি বিরোধীদের আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার নিয়ে সরব হন। এবিষয়ে CAA বিরোধীদের আন্দোলন সংগঠিত করারও পরামর্শ দেন।

বৃহস্পতিবার কর্ণাটকের টুমকুরে অবস্থিত সিদ্দাগঙ্গা মঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করেন। বলেন, ‘দেশভাগ হয়েছিল পাকিস্তানের জন্য। আর ধর্মের ভিত্তিতে তাদের জন্ম হওয়ার পর থেকেই সেখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা অত্যাচারিত হচ্ছেন। এই কারণেই পালিয়ে ভারতে চলে আসছেন হিন্দু, শিখ, জৈন ও খ্রিশ্চানরা। কিন্তু, ভারতে উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধে মিছিল হলেও পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে কেউ মিছিল করছে না। কিছু বলছে না কংগ্রেস এবং তাদের বন্ধুরাও।’

[আরও পড়ুন: কোটায় শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১০০ ছাড়াল, প্রশ্নের মুখে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার]

 

এরপরই CAA বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে মিছিল করতে চাইল করুন। কিন্তু, তার পাশাপাশি গত ৭০ বছর ধরে পাকিস্তানে যাঁরা অত্যাচারিত হচ্ছেন তাঁদের হয়েও মুখ খুলুন। আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দেওয়ার সময় এসে গিয়েছে। সেটাকে কাজে লাগান। ভারতীয় সংসদের বিরুদ্ধে যেরকম প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তেমনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও সরব হয়ে উঠুন। ওখানকার নিপীড়িত মানুষদের জন্য এটা করা উচিত আপনাদের।’

[আরও পড়ুন: মন্ত্রিত্ব নিয়ে ঝামেলার জের! উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ পাচ্ছেন না অজিত পওয়ার]

 

বক্তব্যের শেষলগ্নে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের জন্য নিজের সরকারের পিঠ চাপড়ে দেন তিনি। উল্লেখ করেন, এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ফলে কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে। আস্তে আস্তে উন্নয়নের সুফল পাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.