Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘আমি গর্বিত হিন্দু, তাই ইদ উদযাপনের কারণ নেই’

বিরোধী জোটকে কটাক্ষ করে উপনির্বাচনে হিন্দুত্বের তাস যোগীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩, ১৮:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৩, ১৮:২৫

options
link
‘আমি গর্বিত হিন্দু, তাই ইদ উদযাপনের কারণ নেই’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচনে ফের হিন্দুত্বের তাস বিজেপির। নির্বাচনী সমাবেশ থেকে যোগী আদিত্যনাথ জানিয়ে দিলেন, তিনি গর্বিত হিন্দু। তাই ইদ উদযাপনের কোনও কারণ নেই। উপনির্বাচন উপলক্ষে নিজের গড় গোরক্ষপুরের এক সমাবেশেই কয়েকদিন আগে একথা বলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই কথার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার বিরোধী সমাজবাদী পার্টিকে কটাক্ষ করেন আদিত্যনাথ। বলেন, ‘আমি ওদের মতো নই। আমি একজন হিন্দু। সেজন্য গর্বও অনুভব করি। তাই ইদ উদযাপন করার কোনও কারণ দেখি না। তবে শান্তিপূর্ণ ইদ উদযাপনের জন্য আমার সরকার কাজ করবে।’

[দপ্তরে ঢুকে কর্ণাটকের লোকায়ুক্তকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, গ্রেপ্তার হামলাকারী]

গোরক্ষপুর ও ফুলপুর উপনির্বাচন উপলক্ষ্যে ইতিমধ্যেই বিজেপি বিরোধী ছাতার নিচে আসতে বদ্ধপরিকর। বহুজন সমাজ পার্টি ও সমাজবাদী পার্টি। এরপরেই হিন্দুত্বের তাস খেলতে নেমে পড়েছে শাসক বিজেপি। হোলির দিন শুক্রবার থাকাতেই বিতর্ক দানা বাঁধে। বিতর্ক উসকে দিতে যোগী বলেন, হোলি বছরে একদিন আসে। তাই মহা সমারোহে হোলির উদযাপন করা হোক। জুম্মা তো বছরে ৫২ বার আসে। সমাজবাদী পার্টিকে একহাত নিয়ে যোগী জানান, রাজ্যে বিচ্ছিন্নতার রাজনীতি সহ্য করা হবে না। শক্ত হাতে দমন করা হবে। একই সঙ্গে সপা ও বিএসপিকে কটাক্ষ করে বলেন, দুই পার্টি এক হয়ে এখন বহুজন সমাজবাদী পার্টি হয়েছে।

Advertisement

এদিকে উপনির্বাচনে বিজোপি বিরোধী জোটে জোটসঙ্গির সংখ্যা ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে। বিএসপির সমর্থন পাওয়ার পর সপা-র সঙ্গে হাত মেলাতে তৈরি এলাকা ভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলি। এই তালিকায় সিপিএম যেমন রয়েছে। তেমনই রয়েছে উপজাতি অনুষঙ্গে তৈরি রাজনৈতিক দল নিষাদ পার্টি, পিস পার্টি, কুর্মি মহাসভা, রাষ্ট্রীয় লোকদল। স্বাভাবিক ভাবেই নিজের গড় গোরক্ষপুরে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন যোগী। উপনির্বাচনে সব থেকে বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

বিজেপি মন্ত্রী এমপ্রকাশ রাজভর। যিনি একই সঙ্গে সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি ও আপনা দলের প্রধান। দুই দলই শাসক বিজেপির সহযোগী। যদিও পুর নির্বাচনে সহযোগী দলদের উপরে প্রভুত্বই করেছে বিজেপি। এরপরেই শাসকদলের উপরে বেজায় চটেছে এম প্রকাশ রাজভর। তারপর থেকে প্রায়ই জোট ভেঙে বেরিয়ে আসার হুমকি দিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই দলীয় মন্ত্রীর সিদ্ধান্ত নিয়ে চিন্তায় পড়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। এই আবহাওয়ায় হিন্দুত্বের তাস বুমেরাং যাতে না হয়ে যায়, তাই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে। লক্ষ্য অবশ্যই বিরোধী জোট।

[আরব সাগরে পণ্যবাহী জাহাজে বিস্ফোরণ, নিখোঁজ ৪ কর্মী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.