সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রক্তপাত কেউই চায় না৷ বিশেষ করে ভারতীয় সেনা৷ কারণ রক্তের মূল্য তাঁরা একটু বেশিই বোঝে৷ তবুও দেশ বাঁচাতে হাতিয়ার হাতে তুলে নিতে হয়৷ শেষ সুযোগ সবাইকে দেওয়া হয়৷ কিন্তু সুযোগেরও তো শেষ থাকে? তাই চরম সিদ্ধান্ত নিতেই হয়৷ এমনটাই ঘটেছে সদ্য কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় সেনা-পুলিশের যৌথ এনকাউন্টারে৷
(ঝগড়া থামাতে সমুদ্রের বুকে ভারতীয় নৌসেনার রণতরীতে নামল হেলিকপ্টার)
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার পাদগমপোরা গ্রামে যৌথ অভিযান চালায় সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ৷ দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় এক শীর্ষ লস্কর জঙ্গির৷ তখনও আরও এক জঙ্গি ঘরের ভিতরে ছিল৷ যাকে ঘিরে ফেলেছিল সেনা ও পুলিশ৷ জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা সে৷ নাম মহম্মদ সফিক শেরগজরি৷ বাঁচার শেষ সুযোগ তাকে দেয় সেনা৷ ডাকা হয় সফিকের স্ত্রী দিলশাদাকে৷ আশ্বাস দেওয়া হয়, যদি সে আত্মসমর্পন করে কোনও ক্ষতি করা হবে না৷ নতুন করে বাঁচার সুযোগ দেওয়া হবে৷ সেনা-পুলিশের আশ্বাস পেয়ে সফিকের স্ত্রীও আকুল মিনতি করে স্বামীকে হাতিয়ার ফেলে ফিরে আসার জন্য৷
(এটিএম থেকে ফের বেরোল খেলনা ২০০০ টাকার নোট)
#WATCH: To avoid killing a terrorist security forces take his wife’s help but terrorist continued to fire & was later killed(Awantipora,J&K) pic.twitter.com/K8T2RZ3DkH
— ANI (@ANI_news) March 9, 2017
(‘হেরিটেজ’ জোড়াসাঁকোয় বন্ধ হচ্ছে প্রাক বসন্তোৎসব)
দিলশাদার চোখের জল, কাকুতি-মিনতিও গলাতে পারেনি সফিকের মন৷ উল্টে সেনার দিকে এলোপাথারি গুলি করতে থাকে সে৷ বাধ্য হয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিতে হয় সেনা ও পুলিশকে৷ মেরে ফেলা হয় সফিককে৷
সর্বশেষ খবর
-
ধাক্কা ট্রাম্পের! ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব পাশ কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে, ভোট দিলেন ২ রিপাবলিকানও
-
দাউদাউ আগুনে জ্বলে উঠল বৃদ্ধাশ্রম, মৃত্যু ১১ জনের!
-
‘বন্ধ হওয়া সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি খুলুক’, বাংলা সিনেমার স্বার্থে বিজেপি সরকারকে আর্জি যিশুর
-
কলকাতা বন্দরে দেশবিরোধীদের মদত তৃণমূল মাফিয়াদের! গোয়েন্দা নজরদারির পথে রাজ্য সরকার
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ