১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

করোনা-যোদ্ধাদের পাশে পুলওয়ামায় শহিদ মেজরের স্ত্রী, দিলেন এক হাজার PPE

Published by: Sulaya Singha |    Posted: April 27, 2020 11:00 pm|    Updated: April 27, 2020 11:00 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গিরা কেড়ে নিয়েছিল স্বামীর প্রাণ। শহিদ মেজর স্বামীর কফিনবন্দি দেহ আর এক বছরের কম সময়ের বিবাহিত জীবনের স্মৃতি আঁকড়েই বেঁচে রয়েছেন নিকিতা ধৌনদিয়াল। পরে স্বামীকে শ্রদ্ধা জানাতে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরীক্ষা দেন পুলওয়ামায় নিহত বিভূতি ধৌনদিয়ালের স্ত্রী। এবার করোনার লড়াইয়ে এগিয়ে এলেন তিনিও। পাশে দাঁড়ালেন হরিয়ানা পুলিশের।

নিজেদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে দেশকে করোনা মুক্ত করার চেষ্টা করছেন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা। জরুরি পরিষেবা দিয়ে চলেছেন পুলিশও। এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে সেই সমস্ত পুলিশ কর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন শহিদের স্ত্রী। হরিয়ানা পুলিশের সুরক্ষার জন্য তাদের হাতে ১ হাজার পিপিই তুলে দিলেন ২৮ বছরের নিকিতা। মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই পরে তারা যাতে সুরক্ষিত থেকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে, সেই কারণেই এই ব্যবস্থা করেন তিনি। নিকিতার এমন উদ্যোগে আপ্লুত ফরিদাবাদ পুলিশ। টুইট করে তাঁকে ধন্যবাদও জানিয়েছে তারা। শহিদের স্ত্রীর প্রশংসা শোনা যায় হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের গলাতেও। টুইটারে তিনি লেখেন, “হরিয়ানা পুলিশকে এক হাজার পিপিই দিয়েছেন নিকিতার স্ত্রী বিভূতি। এই মেজরই দেশের জন্য নিজের জীবনের বলিদান দিয়েছিলেন। আপনার সাহায্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।”

[আরও পড়ুন: বর্ধমান মেডিক্যালেও হবে Covid-19 পরীক্ষা? ICMR-এর ছাড়পত্রের আশায় গোটা জেলা]

দেশ বাঁচানোর দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ৫৫ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে যোগ দেন মেজর বিভূতি ধৌনদিয়াল। তাই নবদম্পতির একসঙ্গে বিশেষ সময় কাটেনি। ফোনে প্রতিদিন অল্প সময় কথা হত। বিবাহবার্ষিকীর পরিকল্পনাও করে ফেলেছিলেন দু’জনে। কিন্তু গত বছর ফেব্রুয়ারিতে বদলে যায় সবকিছুই। পুলওয়ামায় প্রায় ২০ ঘণ্টা জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলে জওয়ানদের। তাতে মোট তিনজন সেনার মৃত্যু হয়। নিহতদের তালিকায় ছিলেন বিভূতি। ফোনে স্বামী মৃত্যুর খবর পেয়ে পাথর হয়ে গিয়েছিলেন বিভূতির স্ত্রী নিকিতা। কাঁদতেও ভুলে গিয়েছিলেন। স্বামীর স্মৃতি আঁকড়ে ধরেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন তিনি। এবার করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়েও এগিয়ে এলেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement