Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বদলা নিল সেনা, খতম পুলওয়ামার চক্রী-সহ ৩ জইশ জঙ্গি

এলাকাজুড়ে চলছে তল্লাশি অভিযান। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ১০:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ১০:০৬

options
link
বদলা নিল সেনা, খতম পুলওয়ামার চক্রী-সহ ৩ জইশ জঙ্গি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শহিদ জওয়ানদের রক্তের বদলা নিল সেনা। রবিবার সন্ধ্যে থেকে জম্মু-কাশ্মীরে চলা এনকাউন্টারে খতম পুলওয়ামা হামলার অন্যতম চক্রী মুদাসির-সহ তিন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি। এখনও এলাকাজুড়ে চলছে তল্লাশি অভিযান। 

[তিন রাজ্যে কেন সাত দফায় ভোট? ব্যাখ্যা দিল নির্বাচন কমিশন]

Advertisement

সেনা সূত্রে খবর, রবিবার পুলওয়ামা জেলার ত্রাল এলাকার পিংলিশে তিন জইশ জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় সেনা।তারপরই দ্রুত কষে ফেলা হয় অভিযানের নকশা। যৌথ অভিযানে নামে সেনা, সিআরপিএফ ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।জওয়ানদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে সন্ত্রাসবাদীরা। পালটা হামলা চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। রাতভর চলা গুলির লড়াইয়ের শেষে নিকেশ করা হয় তিন জইশ জঙ্গিকে। মৃত জঙ্গিদের মধ্যে রয়েছে পুলওয়ামা হামলার অন্যতম চক্রী মুদাসির আহমেদ খান ওরফে মহম্মদ ভাই। ত্রাল এলাকার মির মহল্লার স্থানীয় বাসিন্দা ছিল সে। পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান। স্থানীয় একটি কলেজ থেকে সে গ্র‌্যাজুয়েট হয়। তারপর ইলেকট্রিশিয়ানের উপর আইটিআই থেকে এক বছরের ডিপ্লোমা করে। তাকে জইশে নিয়ে আসে কাশ্মীরের কুখ্যাত জঙ্গি নুর মহম্মদ তানত্রে ওরফে নুরা ত্রালি। যে মারুতি ইকো ভ্যানে চেপে হামলা চালানো হয় সেটি জোগাড় করেছিল মুদাসির। তাতে বিস্ফোরক কীভাবে ঠাসা হবে এবং শেষ মুহূর্তে তা কীভাবে সুইচ মারফত সক্রিয় করে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে সবটাই ঠিক করে দিয়েছিল সে। বিস্ফোরণের মাত্রা এবং মারণক্ষমতা যাতে মারাত্মক হয়, তাও নিশ্চিত করেছিল পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান মুদাসির।  কারণ হামলাকারী জঙ্গি দার গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের সঙ্গে সুইচ রেখেছিল। সিআরপিএফের বাসের গায়ে বিস্ফোরক বোঝাই মারুতি গাড়িটি সজোরে ধাক্কা লাগানোর পর আদিল স্টিয়ারিংয়ের সুইচ টেপে এবং মুহূর্তের মধ্যে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। জানা গিয়েছে, এই গোটা ছকটাই ছিল মুদাসিরের।

অন্যদিকে, রবিবার ফের চার জায়গায় সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল পাকসেনাবাহিনী। নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে পাক গোলা ধ্বংস করল সীমান্তবর্তী গ্রামের কয়েকটি বাড়ি। পুঞ্চের কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরে পাক সেনাবাহিনীর মর্টার ও গোলা এসে পড়ে রবিবার সকালেও। ছোট অস্ত্র থেকে লাগাতার গুলি চালাচ্ছে পাক সেনা, জানান এক সেনা আধিকারিক। এই অবস্থায় শনিবার নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের ভূখণ্ডে ভুল করে ঢুকে পড়েন ষাটোর্ধ্ব এক পাকিস্তানি। কূটনৈতিক-রাজনৈতিক জল্পনা এড়িয়ে ‘নিঃশব্দেই’ ওই ব্যক্তিকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায় বিএসএফ। ভারতের এমন আচরণে প্রশংসা করে পাক রেঞ্জার্সও।               

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.