Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Punjab

বন্যায় বেহাল পাঞ্জাবকে ‘বিপর্যস্ত রাজ্য’ ঘোষণা, লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু, উদ্ধারকাজে তিন বাহিনী

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ২৩টি দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে রাজ্যে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ১৩:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ১৩:৩৭

options
link
বন্যায় বেহাল পাঞ্জাবকে ‘বিপর্যস্ত রাজ্য’ ঘোষণা, লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু, উদ্ধারকাজে তিন বাহিনী zoom
বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ৩৭ বছরের মধ্যে এত ভয়াবহ বন্যা দেখেনি পাঞ্জাব। লাগাতার অতিভারী বৃষ্টির জেরে জলের নিচে চলে গিয়েছে পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকা। লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে পাঞ্জাবকে ‘বিপর্যস্ত রাজ্য’ হিসেবে ঘোষণা করল আপ সরকার। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে উদ্ধারকাছে নামতে হয়েছে আর্মি, নেভি ও বায়ুসেনাকে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ২৩টি দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে রাজ্যে।

সরকারি রিপোর্ট বলছে, বন্যার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঞ্জাবের ২৩টি জেলাই। ৩০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩.৪৫ লক্ষ মানুষ। প্রায় ১৪০০ গ্রাম জলের নিচে চলে গিয়েছে। ২০ হাজার মানুষকে উদ্ধার করার পাশাপাশি ৫০০০ জনকে পাঠানো হয়েছে ত্রাণ শিবিরে। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঠানকোট এখানে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের, নিখোঁজ আরও ৩ জন। লুধিয়ানায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই অবস্থার মধ্যেই লাগাতার বৃষ্টি চলছে পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। ক্ষতির দিক থেকে শীর্ষে গুরুদাসপুর জেলা। এখানে ৩২৪টি গ্রাম ডুবে গেছে, এরপর অমৃতসর (১৩৫টি গ্রাম) এবং হোশিয়ারপুর (১১৯টি গ্রাম)। ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে বার্নালা, বাথিন্ডা, ফিরোজপুর, পাতিয়ালা, এসএএস নগর, সাঙ্গরুর, তরন তারান এবং ফাজিলকা। বন্যায় ১.৪৮ লক্ষ হেক্টরেরও বেশি ফসল নষ্ট হয়েছে, প্রায় ৩.৭৫ লক্ষ হেক্টর কৃষিজমি ডুবে গেছে।

Advertisement

পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রকে চিঠি লিখে ৬০ হাজার কোটি টাকা সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন মান। পর্যাপ্ত সংখ্যক এনডিআরএফ বাহিনী এবং সেনা শিবির মোতায়েন করে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে কোনও খামতি রাখা হবে না বলে মানকে আশ্বস্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেইমতো উদ্ধারকাজে নেমেছে সেনা, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী ১২টি দল, আরও ৮টি দল প্রস্তুত রয়েছে। প্রায় ৩০-৩৫টি হেলিকপ্টার, ১১৪টি নৌকা এবং রাজ্য একটি হেলিকপ্টারও উদ্ধারকাজে নিযুক্ত হয়েছে। বিএসএফ এবং এসডিআরএফকেও মোতায়েন করা হয়েছে।

লাগাতার বৃষ্টিতে বেহাল অবস্থা হিমাচল প্রদেশের। হড়পাবান ও ভূমিধসে সেখানে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে হিমাচলকে ‘বিপর্যস্ত রাজ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু। বর্ষার মরশুম শুরুর পর অর্থাৎ ২০ জুন থেকে এখনও পর্যন্ত হিমাচলে ৩২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় বেহাল অবস্থা হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ডের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.