Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬

৩০ বছর পর পাটনার গান্ধী ময়দানে সভা কংগ্রেসের, মোদিকে নিশানা রাহুলের

কয়েক লক্ষ মানুষ জমায়েত হয়েছেন, দাবি বিহার কংগ্রেসের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯, ১৯:২০

options
link
৩০ বছর পর পাটনার গান্ধী ময়দানে সভা কংগ্রেসের, মোদিকে নিশানা রাহুলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষবার পাটনার গান্ধী ময়দানে কংগ্রেস সভা করেছিলেন ১৯৮৯ সালে। সেবার বিরোধী দলের নেতা হিসেবে প্রধান বক্তা ছিলেন রাজীব গান্ধী। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। কংগ্রেস রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী দল থেকে চতুর্থ শক্তিতে পরিণত হয়েছে। সংগঠনের জীর্ণ দশার কথা ভেবে গান্ধী ময়দানে সভা করার সাহস পাননি কংগ্রেস নেতৃত্ব। আসলে, গান্ধী ময়দান ভরাতে হলে কয়েক লক্ষ মানুষের ভিড় জমাতে হয়। এর আগে আরজেডি নেতা লালুপ্রসাদ যাদব জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেও গান্ধী ময়দান ভরাতে পারেননি। কিন্তু রাহুলের নেতৃত্বে কংগ্রেস সেই ঝুঁকিটা নিয়েই নিল। বিহার কংগ্রেস নেতাদের দাবি, তাঁরা শুধু মাঠ ভরিয়েছেন তাই নয়, রীতিমতো উপচে দিয়েছেন।

[‘আমার কিছু হলে দায়ী থাকবেন প্রধানমন্ত্রী’, হুঁশিয়ারি আন্নার]

এদিন সভায় রাহুলের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস শাসিত তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন জোটসঙ্গী আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, হাজির ছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চার নেতা জিতনরাম মানঝি, ছিলেন লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার। এদিনের সভা থেকে আরও একবার তেজস্বী যাদব বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য উপযুক্ত রাহুল। শুধু জোটসঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা বলেন, রাহুল গান্ধী মানে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রক্ষা করা। নিজেদের রাজ্যে ঋণ মকুবের ঘোষণাকে হাতিয়ার করেন তাঁরা।

Advertisement

Patna-Rally-Congress

[ব্রিগেডের সমাবেশ থেকে মোদি-মমতাকে উৎখাতের ডাক বামেদের]

বাজেটের পর এটাই রাহুলের প্রথম জনসভা। স্বাভাবিকভাবেই কোন কোন ইস্যুতে সরব হন কংগ্রেস সভাপতি সেদিকে নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। কারণ, মোদি সরকারের শেষ বাজেটে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে কৃষক, সবার জন্যই কিছু না কিছু ছিল। এদিন, জনসভার উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিল্পপতিদের সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণমকুব করতে পারেন, অথচ কৃষকদের জন্য দৈনিক বরাদ্দ মাত্র ১৭ টাকা। আসলে বিজেপি কৃষকদের অপমান করেছে। কংগ্রেস সভাপতি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে গোটা দেশের কৃষকদের ঋণ মকুব করা হবে। এবং ন্যূনতম রোজগার নিশ্চিত করা হবে। তেজস্বীর কথার প্রেক্ষিত টেনে রাহুল বলেন, কংগ্রেস সমস্ত শরিকদের নিয়ে একসঙ্গে লড়াই করবে। শুধু লোকসভাতে নয়, “বিহার বিধানসভাতেও কংগ্রেস এবং অন্য বিরোধীদের মিলিত সরকার গঠন হবে। দিল্লিতেও মহাজোটেরই সরকার হবে।”

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.