Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Rahul Gandhi

সভাপতি খাড়গে, তবু হিমাচল-গুজরাটের ভোটপ্রচারে সেই গান্ধীরাই ‘মুখ’ কংগ্রেসের

এমাসের শেষেই হিমাচলে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়বেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২২, ২১:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২২, ২১:৩০

options
link
সভাপতি খাড়গে, তবু হিমাচল-গুজরাটের ভোটপ্রচারে সেই গান্ধীরাই ‘মুখ’ কংগ্রেসের zoom

স্টাফ রিপোর্টার, নয়াদিল্লি: দলীয় সাংগঠনিক নির্বাচন এখন অতীত। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অশীতিপর মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। এবার আর সময় নষ্ট না করে সংসদীয় লড়াইয়ের ময়দানে ঝাঁপানোর প্রস্তুতি শুরু করল কংগ্রেস। সামনেই হিমাচল প্রদেশ ও গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচন। সেই লক্ষ্যে পূর্ণ উদ্যমে ঝাঁপাতে চাইছে কংগ্রেস।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে দলের সভাপতি হিসাবে মল্লিকার্জুন খাড়গে নির্বাচিত হলেও, প্রচারের ক্ষেত্রে তাঁর উপর তেমন ভরসা করছে না কংগ্রেস (Congress)। প্রচারপর্বের পুরোটাই হাত শিবির ভরসা রাখছে গান্ধী পরিবারের দুই সদস্য প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) উপর। এমাসের শেষ থেকেই হিমাচলে জোরকদমে নেমে পড়ছেন দুই ভাই-বোন। নব নির্বাচিত সভাপতি খাড়গে কবে ভোটমুখী দুই রাজ্যে প্রচারে যাবেন, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অত্যাধুনিক পরমাণু মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ ভারতের, আরও শক্তিশালী ফৌজ]

রাহুল গান্ধী ব্যস্ত ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়ে। আগেই ঠিক ছিল যাত্রা থেকে দু’-একদিনের বিরতি নিয়ে তিনি যাবেন নির্বাচনমুখী রাজ্যগুলিতে। সেই সময় বন্ধ থাকবে যাত্রা। রাহুলের অবর্তমানে প্রচারের ব্যাটন থাকবে মূলত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (Priyanka Gandhi) হাতে। শোনা যাচ্ছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হিমাচলে মিছিল করবেন রাহুল। উলটোদিকে ৩১ অক্টোবর থেকেই প্রচারের গতি টপ গিয়ারে তুলবেন প্রিয়াঙ্কা। আগামী কয়েক সপ্তাহে আটটি জনসভা ও চারটি মিছিল করার কথা কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদকের।

[আরও পড়ুন: ডুয়ার্সে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, হাসপাতালে ভরতি উত্তরবঙ্গের আইজি, জখম গাড়িচালকও]

নয়া সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সফরসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ২৬ অক্টোবর দায়িত্ব নেওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে শোনা যাচ্ছে, রাজস্থানের দক্ষিণাংশের কোনও জেলায় প্রথম জনসভা করতে পারেন খাড়গে। রাজস্থানে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot) ও প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের মধ্যে চলছে ঠান্ডা যুদ্ধ। যে কোনও উপায়ে যা থামাতে মরিয়া হাইকমান্ড। রাজস্থানের দক্ষিণ অংশে দলিত সমাজের প্রতিনিধির সংখ্যা অনেক বেশি। দলিত নেতা খাড়গে তাঁদের কাছে টানার কাজ করতে পারবেন। একইসঙ্গে সীমানা পার করলে গুজরাটে পড়বে যার রেশ। যেখানে শীঘ্র ঘোষণা হয়ে যাবে নির্বাচনী নির্ঘন্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.