Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘কর্ণাটকে অসাংবিধানিক কাজ করেছেন রাজ্যপাল’, সুপ্রিম রায়ের পর তোপ রাহুলের

শনিবারই আস্থা ভোট কর্ণাটকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ১৩:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০১৮, ১৩:৫৩

options
link
‘কর্ণাটকে অসাংবিধানিক কাজ করেছেন রাজ্যপাল’, সুপ্রিম রায়ের পর তোপ রাহুলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৫ দিনও সময় পেলেন না। মুখ্যমন্ত্রীত্বের একদিনের মাথাতেই আস্থা ভোটের মুখে পড়লেন ইয়েদুরাপ্পা। সুপ্রিম রায়ে বিজেপির মুখের হাসি একটু হলেও মিলিয়েছে। অন্যদিকে হাসি চওড়া হয়েছে কংগ্রেস শিবিরে। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট আস্থা ভোটের নির্দেশ দেওয়ার পরই কর্ণাটকের রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর সাফ কথা, বাজুভাই ভালা যে অসাংবিধানিক কাজ করেছিলেন, তা প্রমাণ হয়ে গেল।

[  সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা বিজেপির, কর্ণাটকে আস্থা ভোটের নির্দেশ শনিবার ]

Advertisement

ঠিক কোন প্রেক্ষিতে কংগ্রেস সভাপতির এ মন্তব্য? কর্ণাটকে সরকার গঠন করা নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশে। একক বৃহত্তম দল হিসেবে সেখানে জায়গা করে নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে ভোট পরবর্তী জোটে সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে এগিয়ে কংগ্রেস ও জেডিএস জোট। এই পরিস্থিতিতে সারকারিয়া কমিশনের সুপারিশ মেনে বিজেপিকেই সরকার গড়ার ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যপাল বাজুভাই ভালা। কেননা ভোট পরবর্তী জোট সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও, এই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী তা অগ্রাধিকার পায় না। সুপ্রিম কোর্টেরই এক সাংবিধানিক বেঞ্চ কমিশনের সুপারিশকে মান্যতা দিয়েছিল। তা মেনেই বিজেপিকে সরকার গড়তে আহ্বান জানানো হয়। ইয়েদুরাপ্পা শপথও নিয়ে নেন। কিন্তু প্রশ্ন এখানেই থেমে থাকেনি। কারণ গোয়া বা মেঘালয়ে এ নিয়ম খাটেনি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, একই দেশে দুই রাজ্যপাল কি পৃথক নিয়ম মেনে সরকার গড়ার ডাক দিতে পারেন? এই নিয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস। গুরুত্বপূর্ণ এই শুনানির শেষে আজ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয় শনিবারই ফ্লোর টেস্ট করাতে হবে। ফলত খুশির হাওয়া কংগ্রেস শিবিরে। কারণ, সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের ক্ষেত্রে তারা সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে। এরপরই রাহুলের তোপ যে, রাজ্যপাল ভালার অসাংবিধানিক কাজের যে অভিযোগ তাঁরা করেছিলেন, সুপ্রিম রায়ে তা প্রমাণ হয়ে গেল। কারণ যদি তা সংবিধানের নিয়মে অবধারিত হত তাহলে ফ্লোর টেস্ট করানোর প্রয়োজন পড়ত না। কংগ্রেস সভাপতির ইংগিত সেদিকেই। রাহুল বলেছেন, পর্যাপ্ত বিধায়ক না থাকা সত্ত্বেও বিজেপির সরকার গড়ার ভুয়ো দাবি উড়িয়ে দিয়েছে আদালত। তবে ঠিক তা বলা যায় না। বরং বলা ভাল, সুপ্রিম কোর্ট আবার দুই দলকেই নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঘোড়া কেনাবেচা তুঙ্গে উঠবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে এক বিধায়ককে অপহরণের অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.