Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rajasthan

‘বাবাকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে মারল কাকু, দাঁড়িয়ে দেখল মা’, শিশুর বয়ানে পুলিশের জালে ‘খুনিরা’

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই খুন, অনুমান পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫, ২১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫, ২১:২০

options
link
‘বাবাকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে মারল কাকু, দাঁড়িয়ে দেখল মা’, শিশুর বয়ানে পুলিশের জালে ‘খুনিরা’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবাকে মুখে বালিশ চাপা দিয়ে খুন করেছে ‘কাকু’। মায়ের সম্মতিতেই চার জন মিলে এই কাজ করেছে। পুলিশকে এই বয়ান দিয়ে ধরিয়ে দিল নয় বছরের শিশু। ইতিমধ্যে তার বয়ানের ভিত্তিতে তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও তিন জনের খোঁজ চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ৭ জুন রাজস্থানের আলওয়ারে। খুন হন বীরু ওরফে মান সিং জাটভ। অভিযুক্ত কাশীরাম নামের স্থানীয় কচুরি বিক্রেতা। অভিযোগ, মৃত ব্যক্তির স্ত্রী অনিতার সঙ্গে কাশীরামের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। অনিতা এলাকায় একটি দোকান চালাতেন। পথের কাঁটা বীরুকে সরাতেই এই খুন। দুলক্ষ টাকা বিনিময়ে চারজন ভাড়াটে খুনিকে দিয়ে বীরু হত্যা করায় অনিতা ও কাশীরাম।

Advertisement

শিশুটি পুলিশকে জানায়, কাশী কাকু নামের এক জন প্রায়ই মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। সে রাতে মা দরজা খুলে রেখেছিল। কাকু এসেছিল। সঙ্গে ছিল আরও চারজন। ‘কাকু’ বালিশ দিয়ে বাবার মুখ চেপে ধরে। বাকিরা বাবাকে মারধর করতে থাকে। গোটা ঘটনা পাশে শুয়ে শুয়ে দেখেছে শিশু। সে ঘুমের ভান করছিল। বাবাকে নিথর হয়ে যেতেও দেখেছে সে। সমস্তটাই সামনে দাঁড়িয়ে মা দাঁড়িয়ে দেখেছে বলে অভিযোগ করেছে শিশু। পরে জেগে উঠলে শিশুকে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

প্রাথমিকভাবে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে স্বামীর, এই খবর ছড়ান অনিতা। যদিও মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠাতেই সমস্তটা স্পষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া এলাকার ১০০টি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে পুলিশ। অনিতা, কাশীরাম ছাড়াও এক ভাড়াটে খুনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি তিন খুনির খোঁজ চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.