৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মুসলিম স্বাস্থ্যকর্মীদের গুনতির নির্দেশ, বিতর্কে রাজস্থানের বিজেপি সরকার

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 13, 2017 7:34 am|    Updated: September 19, 2019 4:49 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  গুজরাটে বিধানসভা ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে মেরুকরণের অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। আর এবার বিজেপিশাসিত রাজস্থানেও মুসলিম স্বাস্থ্যকর্মীদের গুনতির নির্দেশ জারি করল বসুন্ধরা রাজে সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তে মরুরাজ্যে মেরুকরণ আরও স্পষ্ট হবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

[দেশের প্রতিটি টোল প্লাজায় স্যালুট জানাতে হবে জওয়ানদের, নির্দেশ কেন্দ্রর]

বিজেপির বিরুদ্ধে মেরুকরণের অভিযোগ নতুন নয়। বিধানসভা ভোটে গুজরাটে রাজনৈতিক জমি শক্ত করতে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধেও মেরুকরণের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, নোট বাতিল, জিএসটির মতো ইস্যুতে মোদির রাজ্যে বিপাকে পড়েছে বিজেপি। পরিস্থিতি সামলাতে পুরানো অস্ত্রেই বাজিমাত করতে আসরে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। বস্তুত, গুজরাটে নির্বাচনী জনসভায় মোদির মুখে রাম মন্দির নির্মাণের কথাও শোনা গিয়েছে। আর সেই মেরুকরণ বিতর্কেই নয়া মাত্রা যোগ করল রাজস্থানের বিজেপি সরকার

[ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে লাগাতার যৌন হেনস্তা, গ্রেপ্তার প্রধানশিক্ষক]

কীভাবে? গত ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানে একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের জয়েন্ট ডিরেক্টর (প্রশাসন) বিএল সাইনি। সেই নির্দেশিকায় মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কতজন মুসলিম স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করছেন, তা জানাতে বলা হয়েছে। রেডিওগ্রাফার, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট, দন্ত বিভাগের টেকনিশিয়ান, নার্স-সহ সবকটি নন-গেজেটেড পদে কর্মরত মুসলিম কর্মীদে্র গুনতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও ছাড় দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকদের। এই সিদ্ধান্তেই ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মেরুকরণ বিতর্ক।  স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ধর্মীয় পরিচয় কেন জানতে চাইছে সরকার? তা নিয়ে বুঝে উঠতে পারছেন না মুসলিমরা। তীব্র হয়েছে মেরুকরণের আশঙ্কা।

[মোদির অনুমতিতে পাঠানকোটে পিকনিক করে আইএসআই, হুল লালুর]

প্রসঙ্গত, মাস দুয়েক আগে রাজ্যে দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের আড়াল করতে নয়া আইন আনার পরিকল্পনা করেছিল রাজস্থান সরকার। ‘দ্য ক্রিমিনাল ল’ অর্ডিন্যান্স, ২০১৭’  নামে একটি অর্ডিন্যান্সও পেশ করা হয়েছিল বিধানসভায়। অর্ডিন্যান্সে বলা হয়েছিল, রাজস্থানের কোনও বিচারপতি বা আমলার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে, সরকারের অনুমতি ছাড়া তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে না আদালত। তদন্ত করতে পারবে না পুলিশ। যা তুমুল বিতর্ক হয়। বিতর্কের জেরে শেষপর্যন্ত পিছিয়ে আসে রাজস্থানের বিজেপি সরকার।

[আপনার আধার কি অন্য কেউ ব্যবহার করছে? ধরে ফেলুন নিজেই

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement