Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Covid-19

করোনা চিকিৎসায় বাজারে এল DRDO’র তৈরি ওষুধ 2DG, খাওয়া যাবে জলে গুলেই

সোমবার ওষুধের প্রথম ব্যাচ বাজারে এল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২১, ১৭:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২১, ১৭:৩২

options
link
করোনা চিকিৎসায় বাজারে এল DRDO’র তৈরি ওষুধ 2DG, খাওয়া যাবে জলে গুলেই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। প্রত্যাশামতোই বাজারে এল DRDO’র তৈরি করোনার ওষুধ ড্রাগ ২ ডিঅক্সি ডি গ্লুকোজ বা সংক্ষেপে 2DG নামে ওষুধটি। সোমবার ওষুধের প্রথম ব্যাচটির আত্মপ্রকাশ ঘটল কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের হাত ধরে। হায়দরাবাদের ডক্টর রেড্ডিস ল্যাবের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এই ওষুধটি তৈরি করেছে ডিআরডিও-র ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়িড সায়েন্সেস (Institute of Nuclear Medicine and Allied Sciences) বা ইনমাস।

 

Advertisement

এদিন ওষুধটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন লেখেন, “করোনা মোকাবিলায় ডিআরডিও-র সাহায্য এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে ভারত নিজস্ব করোনার ওষুধটি হাতে পেল। এই ওষুধটি করোনা রোগীদের আরও দ্রুত সুস্থ করে তুলবে এবং অক্সিজেনের নির্ভরতা কমিয়ে দেবে। আশা করি আগামিদিনে ওষুধটি করোনা মোকাবিলায় শুধু ভারতের নয়, গোটা বিশ্বকে সাহায্য করবে। গত বছর থেকে করোনার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলছে। ডিআরডিও-র বিজ্ঞানীদের এই সাফল্যের জন্য তাঁদের অসংখ্য শুভেচ্ছা।” এর পাশাপাশি তিনি জানান দেশে করোনা সংক্রমণ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

[আরও পড়ুন: প্যালেস্তাইনকে সমর্থন করাটা অপরাধ হতে পারে না’, কাশ্মীরে জোড়া গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে সরব মেহবুবা]

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে এই ওষুধের ট্রায়াল শুরু হয়েছিল। প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফাতেও দু’ধাপে হয়েছে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালও হয় দু’ভাগে। ২০২০-র ডিসেম্বর থেকে ২০২১-এর মার্চের মধ্যে দুশোরও বেশি কোভিড রোগীর উপর 2DG প্রয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি DRDO’র। সেসবের সাফল্যের নিরিখেই DRDO-র তৈরি ওষুধকে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হল। এর আগে রেমডেসিভির, ভিরাফিনকেও একইভাবে জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল DCGI। তারপরই মিলল 2DG ব্যবহারের ছাড়পত্র। এই মুহূর্তে করোনা চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় উপকরণ অক্সিজেনের বড়সড় সংকট। এই ওষুধ যদি সেই সমস্যার খানিকটা সমাধান করতে পারে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে চিকিৎসক মহল।

[আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি সামলাতে ‘ব্যর্থ’ কেন্দ্র, কোভিড প্যানেল থেকে ইস্তফা মহামারী বিশেষজ্ঞ শাহিদ জামিলের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.