Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Ramnath Kovind

বাজেট অধিবেশনের ভাষণে দুর্গাপুজোর উল্লেখ রাষ্ট্রপতির, ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে প্রশংসা

গত বছর ডিসেম্বর মাসে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলার দুর্গাপুজো।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২২, ১৩:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২২, ১৩:৫৩

options
link
বাজেট অধিবেশনের ভাষণে দুর্গাপুজোর উল্লেখ রাষ্ট্রপতির, ইউনেস্কোর স্বীকৃতি নিয়ে প্রশংসা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদের বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) শুরুতে বক্তব্য রাখলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (President Ramnath Kovind)। এদিন নিজের বক্তব্যে মোদি সরকারের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশংসা করেন কোবিন্দ। পাশাপাশি বাংলার অন্যতম ঐতিহ্যের স্বীকৃতির কথা উঠে এল রাষ্ট্রপতির মুখে। কলকাতার দুর্গোপুজোর (Durga Puja) ইউনেস্কোর (UNESCO) স্বীকৃতি পাওয়ার কথা উল্লেখ করলেন কোবিন্দ।

বাংলার স্বীকৃতিতে গর্বিত হয়েছে ভারত। যাকে অস্বীকার করতে পারলেন না দেশের রাষ্ট্রপতিও।
কিছুদিন আগেই বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজো পেয়েছে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি। বিশ্বের সেরা সংস্কৃতি বিভাগের তালিকায় স্থান হয়েছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের৷ গত আগস্ট মাসে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকায় স্থান পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিল পশ্চিমবঙ্গ। ডিসেম্বরে এসেছে সেই স্বীকৃতি।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকে দেশের একাধিক রাজ্যের সংস্কৃতি ও উৎসব নিয়ে একটি সমীক্ষা শুরু করে ইউনেস্কো। সেই সমীক্ষা অনুয়ায়ী হেরিটেজের তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে বাংলার দুর্গাপুজোকে। এর আগে কেরলের মুদিয়েট্টু লোকনৃত্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। বাংলার এই স্বীকৃতির কথাই এদিন বাজেট অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন। এই ঘটনাকে বাংলার জয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ইউনেস্কোর ‘হেরিটেজ’ তকমা পেতেই ডিসেম্বরে কলকাতায় ‘অকাল’ দুর্গাপুজো]

এছাড়াও রাষ্ট্রপতি দাবি করেন, কৃষক উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছে মোদি সরকার। বলেন, “রবি শস্য উৎপাদনের সময় সরকার ফসল কিনেছে। তাতে উপকৃত হয়েছে ৫০ লক্ষ কৃষক। খারিফ শস্য উৎপাদনের সময়, যে পরিমান ধান কিনেছে সরকার, তাতে উপকৃত হয়েছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কৃষক।” 

মোদি সরকারের জনধন যোজনা প্রকল্প ও ইউপিআই বা ডিজিটাল অর্থনীতি প্রসারের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। বলেন, “৪৪ কোটি ভারতবাসীর জনধন অ্যাকাউন্ট থাকায় করোনা-কালে তাঁরা সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়েছেন।” উল্লেখ করেন, ২০২১-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ৮ লক্ষ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে ইউপিআই মাধ্যমে।

[আরও পড়ুন: অবিলম্বে বাংলার রাজ্যপালকে সরানোর জন্য পদক্ষেপ নিন, সরাসরি রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি সুদীপের]

কোবিন্দ আরও দাবি করেন, মহামারীর সংকটকালেও দেশের মানুষ অভুক্ত থাকেনি। তিনি বলেন, দেশের সব মানুষকে বিনমূল্যে রেশন দেয় সরকার। জানান, ৮০ কোটি ভারতবাসীকে ১৯ মাস ধরে বিনামূল্যে রেশন দিতে ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি খরচ হয়েছে সরকারের। এছাড়াও সোমবার নিজের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মরণে দেশজুড়ে একগুচ্ছ কর্মসূচি পালনের কথা উল্লেখ করেন। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.