Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন ‘বিদ্রোহী’ রঞ্জন গগৈ

শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৮, ১১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৮, ১১:২৪

options
link
প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন ‘বিদ্রোহী’ রঞ্জন গগৈ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হওয়া সত্ত্বেও নজিরবিহীনভাবে প্রথমবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন তিনি। সেই রঞ্জন গগৈই ভারতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। বিদায়ী প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। আজ রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সত্য নিষ্ঠার শপথ নিয়েই কার্যকাল শুরু করছেন বিচারপতি গগৈ।

 

[এবার রাষ্ট্রসংঘ স্বীকৃতি দিচ্ছে মোদিকে, সেরার পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী]

বিচারপতি গগৈ ২০০১ সালে দিল্লি হাই কোর্টে ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন। ২০১২ সালের এপ্রিলে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যোগ দেন। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি হওয়া তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা। সেদিন থেকে দেশের ৪৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন গগৈ। মোট ১৩ মাস সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি থাকবেন তিনি। ২০১৯ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মেয়াদ শেষ হবে।

দীপক মিশ্রর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সিনিয়রিটির বিচারে রঞ্জন গগৈয়েরই দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উত্তরাধিকার হিসেবে দীপক মিশ্র একজন ‘বিদ্রোহী’-কে বাছবেন কিনা তা নিয়ে সন্দীহান ছিলেন অনেকে। যদিও সবাইকে চমকে দিয়ে গগৈকেই উত্তরাধিকারি ঘোষণা করেন বিচারপতি মিশ্র। দীপক মিশ্রর সুপারিশ মেনেই গগৈকে দায়িত্ব দেওয়া হল।

[কৃষক বিক্ষোভে ধুন্ধুমার রাজধানী, জল কামান-কাঁদানে গ্যাস পুলিশের]

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যাঁরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন, সেই দলের পুরভাগে ছিলেন গগৈও। ১২ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন দেশের প্রবীণ চার বিচারপতি। শীর্ষ আদালতের চার বিচারপতি হলেন জে চেলামেশ্বর, কুরিয়েন জোশেফ, রঞ্জন গগৈ এবং মদন লোকুর। দেশের বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁরা সরব হন। মামলা বণ্টনের ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে। আদালতে মধ্যেই নিয়ামানুবর্তিতা মেনে চলছেন না প্রধান বিচারপতি। খোদ বিচারপতিদের মুখে গণতন্ত্র বাঁচানোর আর্তি শুনে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.