Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Chhattisgarh High Court

মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম কি ধর্ষণ? নজিরবিহীন রায় ছত্তিশগড় হাই কোর্টের

মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম অতি ভয়ংকর অপরাধ, পর্যবেক্ষণ আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০২৪, ২১:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০২৪, ২১:৪৪

options
link
মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম কি ধর্ষণ? নজিরবিহীন রায় ছত্তিশগড় হাই কোর্টের zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড় হাইকোর্টে এক নাবালিকার অপহরণ, ধর্ষণ এবং খুনের একটি মামলার শুনানি চলছিল। সেখানেই মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম নিয়ে বড় রায় দিল আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম একটি অতি ভয়ংকর অপরাধ। যদিও এই কাজকে আইনত ধর্ষণ বলা যাবে না, পকসো আইনের আওতায়ও পড়ে না। ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’ ওয়েবসাইটে হাই কোর্টের এই নজিরবিহীন পর্যবেক্ষণ প্রকাশিত হয়েছে। 

এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা উঠেছিল ছত্তিশগড় হাই কোর্টে বিচারপতি রমেশ সিং এবং বিচারপতি বিভু দত্ত গুরুর বেঞ্চে। শুনানিতে মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গমের বিষয়টিও উঠেছিল। আইনি খবর পরিবেশনকারী ওয়েবসাইটে ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুনানি পর্ব শেষ হলে বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশনামায় লেখা হয়েছে, মৃতদেহকে সঙ্গম একটি ভয়াবহ অপরাধ। যদিও ভারতীয় দণ্ডবিধি কিংবা পকসো আইনে এই অপরাধের জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। নির্যাতিতা জীবিত থাকলে তবেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে ধরা যায়।

Advertisement

ছত্তিশগড় হাই কোর্টের এই মামলায় নাবালিকাকে অপহরণ, খুন, এমনকী খুনের পরেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। আগেই দুই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল নিম্ন আদালত। মূল অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। দ্বিতীয় জনের সাত বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। নাবালিকাকে মৃত্যুর পর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল দ্বিতীয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। যদি সেই অভিযোগ খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত। যদিও সাজা কমাতে ছত্তিশগড় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় অভিযুক্তেরা। যদিও তাতে কাজ হয়ি। নিম্ন আদালতের রায়-ই বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.