সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হায়দরাবাদ, পুরী, বক্সারের পর এবার ফের উন্নাও। প্রমাণ লোপাট করতে নির্যাতিতাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা ধর্ষণে অভিযুক্তদের। উন্নাওয়ের এক সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ওই বছর তেইশের যুবতী। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারকে তুলোধনা করেছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াংকা গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে।
দেশজুড়ে মহিলাদের উপর একের পর এক মর্মান্তিক অত্যাচারের ঘটনায় শিউরে উঠেছে গোটা দেশ। সম্প্রতি হায়দরাবাদে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে মারা হয় পশু চিকিৎসককে। সেই ঘটনার রেশ কাটার আগেই সামনে আসতে থাকে পুরী, বক্সারের একের পর এক ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা। সেই তালিকায় এবার নয়া সংযোজন উন্নাওয়ের এই নৃশংস ঘটনা।
[আরও পড়ুন :‘এড়ানো যেত চুরাশির শিখ দাঙ্গা’, নরসিমা রাওকে কাঠগড়ায় তুললেন মনমোহন]
জানা গিয়েছে, মার্চ মাসে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের গ্রামে গণধর্ষণ করা হয় বছর তেইশের ওই যুবতীকে। সেই ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পরে স্থানীয় আদালতের নির্দেশে গ্রামেরই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যদিও সে কিছুদিনের মধ্যেই জামিনও পেয়ে যায়। অন্যদিকে অপর অভিযুক্তের হদিশই পায়নি পুলিশ। স্থানীয় আদালতে ওই মামলার শুনানি চলছিল।
এদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আদালতেই যাচ্ছিলেন নির্যাতিতা। রাস্তায় পথ আটকায় অভিযুক্ত-সহ আর দুজন। রাস্তায় তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকেন ওই যুবতী। পরে তাঁকে লখনউয়ের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন। জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরের ৬০-৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে।
[আরও পড়ুন :রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগের সুযোগ, বাজারে আসছে ETF বন্ড]
ঘটনা প্রসঙ্গে উন্নাওয়ের পুলিশ আধিকারিক বিক্রান্ত বীর বলেন, “আমরা আজ সকালে খবর পাই। ওই যুবতী অভিযুক্তদের নাম জানিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারির জন্য দল গঠন করেছি। তিনজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও দুজনের খোঁজে লুক আউট নোটিস জারি করেছি।” কিন্তু ধর্ষণে অভিযুক্তকে কেন জামিন দেওয়া হল, তা নিয়ে বির্তক তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে উত্তরপ্রদেশে পুলিশের ডিজি ওপি সিং বলেন, “মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। তবে অভিযুক্তের জামিন দেওয়া নিয়ে আমি কাউকে দোষ দেব না। তবে স্থানীয় পুলিশ নিশ্চয়ই জামিনের বিরোধিতা করেছিল।”
कल देश के गृह मंत्री और उत्तर प्रदेश के मुख्यमंत्री ने साफ-साफ झूठ बोला कि यूपी की क़ानून व्यवस्था अच्छी हो चुकी।
— Priyanka Gandhi Vadra (@priyankagandhi) December 5, 2019
हर रोज ऐसी घटनाओं को देखकर मन में रोष होता है। भाजपा नेताओं को भी अब फर्जी प्रचार से बाहर निकलना चाहिए।https://t.co/XGqvqu7Dxd
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প! কথা হবে শান্তিচুক্তি নিয়ে, এবার যুদ্ধ থামবে?
-
ভারতকে চাপ দিলে বিশ্বজুড়ে অশান্তি! মার্কিন শুল্কবাণের মধ্যেই মোদির ‘ঢাল’ পুতিন
-
আচমকা ‘প্রসন্ন’ শরিকরা, বাড়তি দুই রাজ্যসভা আসন প্রাপ্তি কংগ্রেসের! প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপিও
-
লোকসভাতেও ‘আসল তৃণমূল’, দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের
-
‘সিএবি কর্তা হয়েও সংস্থার গঠনতন্ত্র জানেন না’, কোষাধ্যক্ষকে পাল্টা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার