Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬

বয়ান বদলাতে নারাজ, নির্যাতিতাকেই একঘরে করল গ্রামবাসীরা

চিকিৎসা করতে নারাজ ডাক্তারও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৮, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৮, ২১:০০

options
link
বয়ান বদলাতে নারাজ, নির্যাতিতাকেই একঘরে করল গ্রামবাসীরা zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক নির্যাতিতাকে বয়কট করল রাজস্থানের একটি গ্রাম। দোষ বলতে একটাই। সেই নির্যাতিতা নিজের বয়ান বদলাতে চাননি। অভিযোগ তুলে নিতেও তিনি অস্বীকার করেছেন। সেই কারণে পাড়ার মুদি দোকান থেকে গলা ধাক্কা মিলেছে। এমনকী, অসুস্থ হলে তাঁর পরিবারের লোকেদের কাছেও আসছেন না কোনও চিকিৎসক।

[ অভিশপ্ত! এই গ্রামে গত ৪০০ বছরে কোনও শিশুর জন্ম হয়নি ]

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছিল এক বছর আগে। রাজস্থানের চিত্তোরগড়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক যুবতি। ঘটনার পর তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ করেন, তাঁকে মাদক খাইয়ে বেহুঁশ করে দিয়েছিল অভিযুক্ত। তারপর ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা হয়। পরে সেই ফুটেজ দেখিয়ে চলে ব্ল্যাকমেল। পুলিশকে গোটা বিষয়টাই জানিয়েছিলেন নির্যাতিতা। অভিযোগ জানানোর পর, পঞ্চায়েত সদস্যরা তাঁকে হুমকি দেয়। পরিবারকে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু হয়। ক্ষতিপূরণ হিসেবে অভিযুক্ত নির্যাতিতার পরিবারকে ১১ হাজার টাকা দেবে বলেও জানানো হয়। কিন্তু নির্যাতিতা পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে গিয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

[ আমাকে উর্দি পরে ভিক্ষার অনুমতি দিন, আজব আবেদন পুলিশকর্মীর ]

এতেই তাঁর দুর্ভোগ বাড়ে। অভিযোগ, পাড়ার কোনও মুদি দোকানে গেলে তাঁকে জিনিসপত্র দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি তাঁর পরিবারের সদস্যরা চুল কাটাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু নাপিত তাঁদের তাড়িয়ে দেয়। এমনকী এও অভিযোগ, অসুস্থ হয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনিও সোজাসুজি জানিয়ে দেন চিকিৎসা করতে পারবেন না।

নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, গ্রাম তাঁদের বয়কট করেছে। কারণ তিনি ধর্ষণের অভিযোগ তুলে নিতে চাননি। আদালতের সামনে নিজের বয়ান বদলাতেও অস্বীকার করেছেন। নির্যাতিতা অভিযোগ তুলেছেন, রাত ১১টা নাগাদ গ্রামবাসীরা একত্রিত হন। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ডাকা হয়। তাঁরা নির্যাতিকে বলে আদালতে যেন তিনি তাঁর বয়ান বদলান। অভিযুক্তের সঙ্গে বিষয়টি মিটমাট করে নিতে বলেন। কিন্তু নির্যাতিতা তা করতে নারাজ। তাই গ্রামের মোড়লদের এই ‘শাস্তি’।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.