Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
President ​Droupadi Murmu

‘বদরুচির পরিচয়!’ দ্রৌপদীকে কটাক্ষ করতেই সোনিয়ার নিন্দা রাষ্ট্রপতি ভবনের

রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে বিবৃতি পেশ করে বলা হয়েছে, 'রাষ্ট্রপতি কোনও ভাবেই ক্লান্ত ছিলেন না।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ১৭:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ১৭:২২

options
link
‘বদরুচির পরিচয়!’ দ্রৌপদীকে কটাক্ষ করতেই সোনিয়ার নিন্দা রাষ্ট্রপতি ভবনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘বেচারি’ বলে কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। আর তারপরই বিরোধী শিবিরের এহেন কটাক্ষের পালটা সরব হয়েছে শাসকদল। এবার রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সোনিয়ার মন্তব্যকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ ও ‘বদরুচি’ বলে নিন্দা করা হল।

রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে বিবৃতি পেশ করে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রপতি কোনও ভাবেই ক্লান্ত ছিলেন না। বরং তিনি মনে করেন প্রান্তিক মানুষ, মহিলা, কৃষকদের জন্য কথা বলা, যা তিনি এতদিন ধরে করে এসেছেন তা কখনওই ক্লান্তিকর হতে পারে না।’

Advertisement

সোনিয়া গান্ধী ঠিক কী বলেছিলেন? সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর উদ্দেশে সোনিয়ার মন্তব্য, ‘‘বেচারি ক্লান্ত, কথাই বলতে পারছিলেন না।’’ এরপরই এমন কটাক্ষ আসলে দলিত রাষ্ট্রপতির অপমান বলে পালটা তোপ দেগেছে শাসকদল বিজেপি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “অত্যন্ত নিম্নস্তরের নর্দমার রাজনীতি করছে কংগ্রেস। এটাই ওদের চরিত্র।” একইসঙ্গে বলেন, “আসলে গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ দেশের শীর্ষ সাংবিধানিক পদে বসে রয়েছেন এটা ওই ভুয়ো গান্ধী পরিবার সহ্য করতে পারে না। রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে এই অপমান প্রত্যেক ভারতীয়, দলিত ও মহিলাদের অপমান। দেশ এই অপমান সহ্য করবে না।”

প্রসঙ্গত, বাজেট অধিবেশনের আগে শুক্রবার সংসদে ভাষণ দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ৫৯ মিনিটের এই ভাষণে প্রত্যাশামতোই ছিল মোদি সরকারের সুখ্যাতি। গত ১০ বছরে মোদি সরকার যে সব প্রকল্প ঘোষণা করেছে এবং তাতে জনমানসে কী কী পরিবর্তন এসেছে, ৫৯ মিনিটের ভাষণে মূলত সেগুলিই তুলে ধরলেন রাষ্ট্রপতি। দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তব্য, সরকার ৩ গুণ গতিতে কাজ করছে। আজকের সরকার বড় বড় সিদ্ধান্ত, নীতি অসাধারণ গতিতে নিতে পারছে। মহিলা, যুবসমাজ এবং কৃষকরা সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাচ্ছে। নীতি পঙ্গুত্ব শেষ করে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে দেশ। তাঁর ভাষণে একাধিকবার উঠে আসে বিশ্বগুরু হওয়ার পথে ভারতের সাফল্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.