Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

টাকা তোলার ঊর্ধ্বসীমা মাত্র ১ হাজার! RBI-এর নির্দেশে বিপাকে এই ব্যাংকের গ্রাহকরা

মঙ্গলবার রাত থেকেই ব্যাংকের শাখাগুলিতে ভিড় গ্রাহকদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ২১:১৩

options
link
টাকা তোলার ঊর্ধ্বসীমা মাত্র ১ হাজার! RBI-এর নির্দেশে বিপাকে এই ব্যাংকের গ্রাহকরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রিজার্ভ ব্যাংকের নয়া নির্দেশে বিপাকে পাঞ্জাব এবং মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ ব্যাংকের গ্রাহকরা। আরবিআইয়ের নির্দেশ, আগামী ৬ মাস ১ হাজার টাকার বেশি তুলতে পারবেন না ওই ব্যাংকের গ্রাহকরা। যার জেরে, চরম বিপাকে পড়েছেন পাঞ্জাব এবং মহারাষ্ট্র সমন্বয় ব্যাংকের গ্রাহকরা। মঙ্গলবার রাত থেকেই মুম্বইয়ে পিএমসির প্রতিটি শাখায় লম্বা লাইন পড়ে গ্রাহকদের। গভীর রাত পর্যন্ত ব্যাংক এবং এটিএমের বাইরে দেখা যায় গ্রাহকদের ভিড়। অনেকেই বলছেন, এই পরিস্থিতি নোট বাতিলের পরবর্তী পর্যায়ের কথা মনে করিয়ে দিল।

[আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অজিত দোভালকে খুনের পরিকল্পনা জইশ-ই-মহম্মদের]

পাঞ্জাব এবং মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ ব্যাংকে বেশ কিছু দুর্নীতির অভিযোগ আছে। ব্যাংকের কাজকর্মে অনিয়ম, নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঋণ দেওয়া, ঋণের পরিমাণ আকাশছোঁয়া হওয়ায় ভবিষ্যতে এই ব্যাংকটিরও দেওলিয়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই হস্তক্ষেপ করে রিজার্ভ  ব্যাংক। পাঞ্জাব এবং মহারাষ্ট্র সমন্বয় ব্যাংক রাজ্য সরকারের অধীন হওয়ায় ব্যাংকের কাজকর্মের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেওয়া সম্ভব নয় আরবিআইয়ের পক্ষে। তবু, পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির কথা ভেবে রিজার্ভ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে। শীর্ষ ব্যাংক, আগামী ৬ মাসের জন্য বিএমসির সমস্ত লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের জন্যও টাকা তোলার উর্ধ্বসীমা মাত্রে হাজার টাকায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ, মামলা শরদ পওয়ারের বিরুদ্ধে]

এই নির্দেশে জোর বিপাকে পড়েছেন এই ব্যাংকের প্রায় ৫০ হাজার গ্রাহক। এদের মধ্যে অনেকেই ব্যাংকের মাধ্যমেই লেনদেন করেন। এমনকী, অনেকের দৈনিক বেতনও হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। তাঁরা প্রত্যেকেই চরম সমস্যায়। কারও কারও আবার ইএমআই কাটা হয় পিএমসির মাধ্যমেই। তাঁরাও চরম বিপাকে। মুম্বইয়ে রীতিমতো হাহাকারের পরিস্থিতি টাকার জন্য। ভোটের আগে এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে মহারাষ্ট্র সরকারকেও। আসরে নামছে কংগ্রেস-এনসিপির মতো বিরোধীরা। সমস্যা হল, মহারাষ্ট্র সরকার চাইলেও দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের অবশ্য আশ্বাস, আগামী ৬ মাসের মধ্যেই তাঁরা সমস্ত সমস্যার সমাধান করে ফেলবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.