Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

কীভাবে পুলওয়ামায় পাচার করা হয় বিস্ফোরক, মিলল উত্তর   

কারগিলে পাক হানাদারদের খবর দিয়েছিল পশুপালকরাই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০১৯, ১৩:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০১৯, ১৩:৫৭

options
link
কীভাবে পুলওয়ামায় পাচার করা হয় বিস্ফোরক, মিলল উত্তর    zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কারগিল যুদ্ধের আগে ‘অপরিচিত সন্দেহভাজন লোকদের’ অনুপ্রবেশের খবর দিয়েছিল পশুপালকরাই। তারাই সেনাবাহিনীকে জানিয়েছিল, নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে অজানা, অচেনা লোকজন প্রচুর ভারী জিনিসপত্র নিয়ে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে ছাউনি গেড়েছে। সেনাবাহিনী সূত্রে দাবি, এবার পুলওয়ামায় হামলার আগে সেই পশুপালকদের মাধ্যমেই আরডিএক্সের মতো বিস্ফোরক পাচার করেছে পাক সেনা। একদিনে একসঙ্গে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে পাচার করা হয়নি। কয়েক কেজি করে বিস্ফোরক তিন মাস ধরে আলাদা আলাদাভাবে পাচার করা হয়েছিল। পশুপালকদের সাহায্যে তাদের পোষা পশুদের পিঠে চাপিয়ে। পরে তা শ্রীনগরের কাছে কোনও গ্রামে এক জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছিল। পুলওয়ামার কাছে জাতীয় সড়কে যেখানে হামলা হয়েছিল সেখান থেকে ৫-৬ কিলোমিটার দূরে সেই আরডিএক্স মারুতি গাড়িতে বোঝাই করা হয়েছিল পাঁচটি ড্রামে।

[ধরা পড়েও মাথা ঠান্ডা রাখেন অভিনন্দন, দেশের সুরক্ষায় করেছিলেন এই কাজটি]

Advertisement

সেনা গোয়েন্দাদের সন্দেহ, ওই বিস্ফোরকের অব্যবহৃত অংশ অন্য কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সেই বিস্ফোরক উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে সেনা এবং পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, টাকার লোভে অথবা নিজেদের অজান্তেই ওই বিস্ফোরকগুলি পাচার করেছিল পশুপালকরা। তারা সেগুলি যোগান দেয় জইশ-ই-মহম্মদের স্লিপার সেলকে। সদ্য পাকিস্তানের মাটিতে জইশ শিবিরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়ে ভারত সাফ জানায় ফের হামলার ছক কষছিল জইশ। যদিও ভারতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন ভারত প্রমাণ দিলে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন তিনি।তারপরই জঙ্গি হামলা নিয়ে পাকিস্তানের কাছে ডসিয়ের জমা দিয়েছে ভারত। তবে দু’দেশের চাপানউতোর চললেও দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় যে গলদ রয়েছে তা পুলওয়ামা হামলা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এই বিপুল পরিমাণের মিলিটারি গ্রেড বিস্ফোরক কী করে পেল জঙ্গিরা? কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল সেগুলিকে? হামলার পরই উঠে এসেছিল এহেন প্রশ্ন। অবশেষে তদন্তে মিলল উত্তর। 

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পুলওয়ামা হামলার পর থেকেই কাশ্মীরে সন্দেহজনক ফোনালাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কথোপকথন রেকর্ড করতে সক্ষম হয়েছেন গোয়েন্দারা। ফেব্রুয়ারির ১৬ ও ১৭ তারিখে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গি সংগঠনটির চাঁইদের সঙ্গে ফোন কথা হয় কাশ্মীরে সক্রিয় জইশ জঙ্গিদের একাংশের। সেই বার্তা টেপ করে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, এবার জম্মু-সহ ভারতের অন্য রাজ্যে আত্মঘাতী হামলা চালানোর ছক কষছে জেহাদিরা। পাশাপাশি, পুলওয়ামা হামলা নিয়ে ফোনে কাশ্মীরি জঙ্গিদের অভিনন্দন জানিয়েছে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গি নেতারা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনার উপর হামলা চালাতে পন্থা বদল করেছে জইশ। এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী নয়, সেনার কনভয়ে হামলা চালানো হবে কাশ্মীরি যুবকদের দিয়ে। তাই বৃহৎ পরিমাণে মৌলবাদের সমর্থক যুবকদের দলে টানার চেষ্টা করছে জইশ। স্থানীয় হওয়ায় এলাকাই যথেষ্ট কার্যকর এই ‘হোম গ্রোন’ জঙ্গিরা। এছাড়াও এভাবে সন্ত্রাসবাদকে কাশ্মীরী স্বাধীনতার লড়াই বলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে চালানোর সুযোগ পাবে পাকিস্তান।           

[‘দেশকে রক্ষার্থে বিয়েটা পিছোতে হবে’, মালার বদলে রাইফেল তুললেন বাংলার জওয়ান]        

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.