Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার লালকেল্লা হামলায় জড়িত কুখ্যাত জঙ্গি

বানচাল সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিকে রক্তাক্ত করার ছক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৮, ০৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৮, ০৪:৫২

options
link
দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার লালকেল্লা হামলায় জড়িত কুখ্যাত জঙ্গি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক। সন্ত্রাস দমনে বড়সড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। বুধবার, দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বিলাল আহমেদ কাওয়া নামের এক কুখ্যাত জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০০ সালের লালকেল্লা হামলায় জড়িত ছিল ওই জঙ্গি।

পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন থেকেই ওই জঙ্গির গতিবিধির ওপর নজর রাখছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তবে পাকাল মাছের মতো গ্রেপ্তারি এড়িয়ে যাচ্ছিল কাওয়া। যদিও এবারে আর পালাতে পারেনি সে। এদিন ছদ্মবেশে শ্রীনগর থেকে দিল্লি বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় ওই জঙ্গি। জেট এয়ারওয়েজ-এর একটি বিমানে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে বিমানবন্দরে নামে সে। গোয়েন্দাদের থেকে আগাম খবর পেয়ে ওই জঙ্গির জন্য বিমানবন্দরে যৌথভাবে জাল বিছিয়ে রাখে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল ও গুজরাট পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা। বিমানটি অবতরণ করতেই গ্রেপ্তার করা হয় কাওয়াকে। এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, শ্রীনগর থেকেই কাওয়ার পিছু নেন এক গোয়েন্দা অফিসার। পালানোর পথ বন্ধ করতে তার সমস্ত গতিবিধির উপর নজর রাখছিলেন তিনি।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের ডিসিপি প্রমোদ কুশওয়াহা এই গ্রেপ্তারির কথা জানান। ধৃত জঙ্গি লস্করের আর এক শীর্ষ নেতা মহম্মদ আরিফের ঘনিষ্ঠ। আরিফে সঙ্গে মিলেই লালকেল্লা হামলার ছক কষে ধৃত কাওয়া। হামলার জন্য কাওয়াকে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা দেয় পাকিস্তানি জঙ্গি আরিফ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ওই হামলার পরই কাশ্মীরে ছদ্মনাম নিয়ে গা ঢাকা দেয় কাওয়া। তবে কয়েকদিন আগেই তার পরিচয় ফাঁস হয়ে যায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে। তারপরই জাল গুটিয়ে এনে অবশেষে ধরা পড়ে কাওয়া। উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ২২ ডিসেম্বর লালকেল্লায় হামলা চালায় লস্কর জঙ্গিরা। ওই হানায় প্রাণ হারান তিন সেনা জওয়ান। তারপরই ধরা পড়ে হামলার মূলচক্রী মহম্মদ আরিফ। বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত ওই জঙ্গি।

[সন্ত্রাসদমন অভিযান অব্যাহত উপত্যকায়, সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.