Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Revanth Reddy

‘বিহারের চেয়ে তেলেঙ্গানার DNA ভালো’, রেবন্তের মন্তব্যে বিতর্ক, ‘দেশভাগের চেষ্টা’, তোপ BJP-র

নীতীশ কুমার চুপ কেন? প্রশ্ন গেরুয়া শিবিরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৩, ১৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৩, ১৮:৫৫

options
link
‘বিহারের চেয়ে তেলেঙ্গানার DNA ভালো’, রেবন্তের মন্তব্যে বিতর্ক, ‘দেশভাগের চেষ্টা’, তোপ BJP-র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের (Bihar) তুলনায় তেলেঙ্গানার (Telangana) ডিএনএ অনেক ভালো। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরেই এমন বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রেবন্ত রেড্ডি (Revanth Reddy)। কংগ্রেস নেতার এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, এই কথা বলে দেশবাসীর মধ্যে বিভেদ ঘটাতে চাইছে কংগ্রেস। উল্লেখ্য, প্রথমবার তেলেঙ্গানায় সরকার গড়েছে হাত শিবির। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের দিনই ধাক্কা খেল তারা।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রেড্ডি বলেন, “কেসিআরের ডিএনএ বিহারের। বিহার থেকে বিজয়নগর হয়ে ওরা তেলেঙ্গানায় এসেছিল। কিন্তু আমার ডিএনএতে রয়েছে তেলেঙ্গানা। আর বিহারের চেয়ে তেলেঙ্গানার ডিএনএ অনেক ভালো।” এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই পালটা আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। সাংসদ রবি শংকর প্রসাদ বলেন, “দেশে ভাঙন ধরাতে চাইছে কংগ্রেস (Congress)। বিহারের ডিএনএ কি তেলেঙ্গানার চেয়ে দুর্বল? সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এই কথা শুনেও চুপ কেন?”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মর্মান্তিক! পায়ুদ্বারে নল ঢুকিয়ে অত্যাচার, মৃত্যু কিশোরের]

কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের পরেও নীতীশ কুমার চুপ কেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি (BJP) নেতা অশ্বিনী চৌবেও। তিনি বলেন, “বিহারের ডিএনএ খুবই ভালো, সেটা গোটা দেশের মানুষ জানে। কিন্তু একজন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এমন মন্তব্য খুবই উদ্বেগের। তা সত্ত্বেও নীতীশ কুমার চুপ করে রয়েছেন। তবে মানুষই এই মন্তব্যের জবাব দেবেন।”

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদের এলবি স্টেডিয়ামে লক্ষাধিক মানুষের জমায়েতের সামনে শপথ নেন রেবন্ত। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। শেষ মুহূর্তে রেবন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষনেতাদের আমন্ত্রণ জানালেও অন্য দলের শীর্ষনেতাদের সেভাবে মঞ্চে দেখা যায়নি। শপথের পরই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তেলেঙ্গানার সরকারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: টাটা থেকে আম্বানি, শচীন থেকে অমিতাভ! রাম মন্দিরের উদ্বোধনে চাঁদের হাঁট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.