সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতনের জন্য বলিউড ও আঞ্চলিক ভাষার ছবিগুলিকেই কাঠগড়ায় তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধী। ছবিগুলিতে রোম্যান্সের দৃশ্যগুলি এবং সবমিলিয়ে নারী চরিত্রের ব্যাখ্যাতেই গলদ রয়েছে বলে মনে করেন গান্ধী পরিবারের পূত্রবধূ। শুক্রবার গোয়া ফেস্ট ২০১৭’য় এসে তাঁর মন্তব্য, ‘আমরা এমন ধরনের বিজ্ঞাপন তৈরি করছি যেখানে মহিলাদের ফর্সা এবং রোগা হওয়ার চাহিদাকে ফুটিয়ে তুলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হিন্দি হোক বা আঞ্চলিক ছবি, সর্বত্রই ইভটিজিং দিয়েই রোম্যান্স শুরু হয়।’
#WATCH Romance in almost every film starts with eve teasing, be it Hindi or in regional films, says Union Minister Maneka Gandhi (7.4.17) pic.twitter.com/FLO39NUB4Q
Advertisement— ANI (@ANI_news) April 8, 2017
প্রসঙ্গত, বলিউডি ছবিতে আইটেম ডান্স হোক বা প্রেমে পড়ার দৃশ্য, সবক্ষেত্রেই নারীদের অসম্মান করার অভিযোগ ওঠে। কিছুদিন আগেও খ্যাতনামা অভিনেত্রী শাবানা আজমি বলিউডি আইটেম গানগুলির ভাষা নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর মতে, যেভাবে গানগুলিতে চটুল ভাষায় নারী শরীর ও চরিত্রের বর্ণনা দেওয়া হয় তা কটূক্তির থেকে কোনও অংশে কম নয়। এমনকী, যে বা যারা গানগুলি কম্পোজ করছে এবং যাঁরা এই ধরনের গানকে ছবিতে রাখতে অনুমোদন দিচ্ছে তাঁদেরও একবার ভাবা উচিত। সেন্সর বোর্ডকেও এর জন্য একহাত নিয়েছিলেন তিনি। এবার তাঁর সুরেই কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যান মন্ত্রী মানেকা গান্ধী। একইসঙ্গে তিনি মনে করেন, পুরুষদের অক্ষমতা, চাকরিক্ষেত্রে ব্যর্থতাও নারী নির্যাতনের অন্যতম প্রধান কারণ।
এসব ক্ষেত্রে দঙ্গল এবং পিঙ্ক-এর মতো ছবি ব্যতিক্রম হলেও বিজ্ঞাপনগুলি আরও ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে বলে মত তাঁর। তিনি বলেন, ‘মহিলাদের বেশি করে সম্মান জানাতে পারে এমন ধরনের বিজ্ঞাপন তৈরি করা উচিত।’ এদিন মন্ত্রী হাভাস দিল্লির শিল্পা চৌধুরি এবং আয়ুষী রাস্তোগিকে লিঙ্গ সংবেনশীলতার পুরস্কার প্রদানের সময় এই মন্তব্য করেন।
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়