BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিরোধিতা সামান্যই, অনায়াসে রাজ্যসভায় পাশ জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল ২০১৯

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 5, 2019 7:09 pm|    Updated: August 5, 2019 7:16 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিনে জোড়া জয়৷ ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা অবলুপ্তির পরই জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠনের বিল পাস হয়ে গেল রাজ্যসভায়৷ ভোটাভুটির পরও অনায়াসেই জিতে গেল কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল৷ রাজ্যসভায় ১২৫-৬১ ভোটে মসৃণভাবেই পাশ হল জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল৷ এ সংক্রান্ত ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেনি তৃণমূল৷ তাঁরা আগেই ওয়াকআউট করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন৷

[আরও পড়ুন: কাশ্মীর ইস্যুতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা, রাজ্যগুলিকে অ্যাডভাইজারি কেন্দ্রের]

হাজারও বিরোধিতা উড়িয়ে সোমবার কার্যত কোনওরকম প্রতিকূলতা ছাড়াই ৩৭০ ধারা বাতিল করতে সক্ষম হয়েছে কেন্দ্র। যা দ্বিতীয় মোদি সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে ইতিমধ্যেই পরিগণিত হতে শুরু করেছে৷ কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনাও ছিল কোনও কোনও রাজনৈতিক দলের। বিরোধীরা এনিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কী পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়েও জল্পনা চলছিল৷ কিন্তু বিরোধীদের সেই সুযোগ দিলেন না নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা৷ সোমবার সকালে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে এত বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে একমুহূর্ত সময়ও নষ্ট করলেন না তাঁরা৷

জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ – দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের জন্য সোমবার সন্ধেবেলাই রাজ্যসভায় ভোটাভুটি শুরু হয়ে গেল৷ মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় স্লিপে ভোট হয়৷ ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যাওয়ায় ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেননি তৃণমূল সাংসদরা৷ এবং এবারেও তাক লাগানো ফলাফল৷ ভোট শেষে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু ঘোষণা করেন, জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিলের পক্ষে ১২৫টি ভোট পড়েছেন, বিপক্ষে গিয়েছে মাত্র ৬১টি ভোট৷ অর্থাৎ এখানেও বিরোধী ঐক্য দানা বাঁধতে পারেনি৷

[আরও পড়ুন:কেন্দ্রের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে বাতিল ৩৭০ ধারা, কী বলছেন রাজনীতিকরা?]

এর আগে ২০১৩ সালে অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের সময়েও দ্বিতীয় মনমোহন সিং নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় ইউপিএ কেন্দ্রকে এমনই পরীক্ষার সামনে পড়তে হয়েছিল৷ তবে পৃথক তেলেঙ্গানার দাবিতে আন্দোলন এতটাই সংগঠিত ছিল যে সংসদে সেই পরীক্ষায় পাশ করতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি৷ সেখানকার রাজনৈতিক দলের সাংসদদের ভোটেই পাশ হয়ে গিয়েছিল রাজ্য পুনর্গঠনের বিল৷ কাশ্মীরের ক্ষেত্রে তা অবশ্য এতটা সহজ হবে না বলেই মনে করছিলেন অনেকে৷ কিন্তু সেই আশঙ্কা হেলায় উসকে দিয়ে একই দিনে মোদি সরকারের সাফল্যের তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি পালক৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement