সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশ চালনায় যে প্রতিষ্ঠানগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, সেই স্বশাসিত সংস্থাগুলির সিংহভাগের দখল নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (Rashtriya Sayang Sevak Sangh)। কৌশলগতভাবেই আরএসএসের (RSS) লোক বসানো হয়েছে প্রতি ক্ষেত্রে। তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে বিজেপি সরকারকে (BJP Government)। এমনকী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও আসএসএসের নিয়ন্ত্রণাধীন। লাদাখ সফরে গিয়ে সরাসরি গেরুয়া শিবিরকে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।
বিজেপি যে আরএসসেরই শাখা সংগঠন তা খোলা সত্য। সংঘের আদর্শ অনুপ্রাণীত দলটি। যদিও বকলমে সংঘই মোদি সরকার চালায়, একথা বারবার উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। লাদাখে নিজের বক্তব্যে ফের সেই প্রসঙ্গ তুললেন রাহুল। বলেন, “আপনি যদি কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, তাঁরাই আপনাকে জানাবেন যে তাঁরা আদৌ মন্ত্রিত্ব চালান না। আরএসএস দ্বারা নিযুক্ত ব্যক্তিরাই মন্ত্রকগুলি চালাচ্ছেন। তারাই সব বিষয়ে পরামর্শদাতা।” সঙ্গে যোগ করেন, “দেশ চালনায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিজের লোক বসিয়ে সবকিছু চালাচ্ছে আরএসএস।”
[আরও পড়ুন: ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বদল আরবিআইয়ের নিয়মে! কী বলা হয়েছে নয়া গাইডলাইনে?]
দেশে আইনের শাসন প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা মনে করিয়ে দেন, “ভারত ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা পেয়েছিল। স্বাধীনতাকে একীভূত করা হয় সংবিধানে। সংবিধান হল স্বাধীন বিধানগুলির একটি সেট।” তিনি আরও বলেন, “এমনভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কথা ছিল যাতে তা সংবিধানের রূপকল্পকে সমর্থন করে। অন্যদিকে বিজেপি এবং আরএসএস যেটা করছে তা হল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মূল পদগুলিতে নিজেদের লোক বসানো।” এবং সেই দেশ চালানো। এখনও পর্যন্ত আরআসএস বা বিজেপি রাহুলের বড়সড় অভিযোগের জবাব দেয়নি।
[আরও পড়ুন: দেশে জন ধন অ্যাকাউন্ট পেরিয়েছে ৫০ কোটি, ‘গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’, উচ্ছ্বসিত মোদি]
সর্বশেষ খবর
-
সোনম ওয়াংচুকের পাশে দাঁড়িয়ে মোদিকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রনায়ক’ তোপ দীপিকার! ভাইরাল পোস্টে বিতর্ক
-
‘ভালো নেই’, অনশন মঞ্চ থেকে বার্তা সোনমের, দেখা করবেন কেজরি, কী জানালেন ‘র্যাঞ্চো’র স্ত্রী?
-
বঙ্গ পর্যটনে জুড়ছে পুরুলিয়ার সবুজ সেঁওয়াতি পাহাড়! জঙ্গল ঘেরা এই জনপদে জানেন কী আছে?
-
রথের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী, সাতসকালে মায়াপুরে গোমাতার পুজো সস্ত্রীক দিলীপের
-
রথে দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে ধাক্কা লরির, মৃত ৪