BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  রবিবার ৯ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল শীতকালীন অধিবেশন, ওয়াকআউট কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 18, 2019 2:41 pm|    Updated: November 18, 2019 2:54 pm

An Images

ফাইল ফোটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যা আশঙ্কা ছিল। তাই সত্যি হল। সোমবার শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতেই বিরোধীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠল লোকসভা। কাশ্মীরকে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে দেওয়া ও সেখানকার রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের মুক্তির দাবিতে অধিবেশন ওয়াক আউট করে বেরিয়ে যান কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের সাংসদরা। অধিবেশনের শুরুতেই মহারাষ্ট্রে অকাল বর্ষণের ঘটনাকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে সদ্য এনডিএ জোট ছাড়া শিব সেনা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভা সাংসদ সঞ্জয় রাউত ও সদ্য মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা দেওয়া অরবিন্দ সাওয়ান্ত-সহ শিব সেনার সমস্ত সাংসদরা। অকাল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাহায্য করারও দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: মত বদল মুসলিম ল বোর্ডের, সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা রায় পুনর্বিবেচনার আরজি]

তাঁদের বিক্ষোভের পালা সাঙ্গ হতেই কাশ্মীর নিয়ে সরব হন কংগ্রেস ও ন্যাশনাল কনফারেন্সের সাংসদরা। এখনও পর্যন্ত ফারুখ আবদুল্লার মতো একজন বর্ষীয়ান সাংসদকে কেন আটক করে রাখা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বক্তব্য রাখতে উঠে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরি জানতে চান, অধিবেশনের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা কেন অনুপস্থিত রয়েছেন। গত অধিবেশনের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে ফারুখ আবদুল্লাকে আটক করা হবে না। কিন্তু, পরে তাঁকে আটক করা হয়। শরীর যথেষ্ট খারাপ হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে এখনও হেফাজতে রাখা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: মত বদল মুসলিম ল বোর্ডের, সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা রায় পুনর্বিবেচনার আরজি]

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ফারুখ আবদুল্লা ও পি চিদম্বরমকে সংসদে উপস্থিত হয়ে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হোক। কংগ্রেস সাংসদদের জম্মু ও কাশ্মীরে যেতে চান। কিন্তু, সরকার ইউরোপের সাংসদদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি দিলেও কংগ্রেস সাংসদদের দিচ্ছে না। আসলে সত্যি আড়ালে রাখতে গিয়ে সাংসদদের অপমান করছে তাঁরা। আমরা আরও জানতে চাই যে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর এসপিজি নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement