Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
S-400

নির্ধারিত সময়ের আগেই ভারতকে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম দিতে সচেষ্ট রাশিয়া

এস-৪০০ রাশিয়ার সবচেয়ে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২০, ০৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২০, ০৯:১৬

options
link
নির্ধারিত সময়ের আগেই ভারতকে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম দিতে সচেষ্ট রাশিয়া zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের উদ্বেগ বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই ভারতকে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম দিতে সচেষ্ট রাশিয়া (Russia)। এমনটাই জানিয়েছেন রাশিয়ান ডেপুটি চিফ অফ মিশন রোমান বাবুশকিন।

[আরও পড়ুন: এস-৪০০ মিসাইল চুক্তির জের, ফাটল ধরছে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কে]

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাবুশকিন জানিয়েছেন, নয়াদিল্লির সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরের পথে হাঁটছে মস্কো। একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি প্রজেক্টের আওতায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য ২০০টি Kamov Ka-226T হেলিকপ্টার যৌথভাবে তৈরি করবে ভারত ও রাশিয়া। এদিন, ভারত-আমেরিকা Basic Exchange and Cooperation Agreement (BECA) চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, অত্যন্ত কৌশলের সঙ্গে বাবুশকিন স্পষ্ট করে দেন যে, কোনও তৃতীয়ও পক্ষের হস্তক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞা ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারবে না। তিনি বলেন, “কৌশলগত ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের দিকে নজর রেখেছি আমরা। তবে আমরা বিশ্বাস করি যে সেই সম্পর্ক ভারত-রাশিয়ার মধ্যে থাক সম্পর্কে কোনও প্রভাব ফেলবে না।”

Advertisement

উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ভারতের আকাশকে অভেদ্য করে তুলতে অত্যাধুনিক এস-৪০০ (S-400) মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ভারত। ভূমি থেকে বায়ুতে আঘাত হানতে সক্ষম এস-৪০০কে রাশিয়ার সবচেয়ে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বলে মনে করা হয়। ২০১৪ সালে প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়ার থেকে এস-৪০০ কেনার চুক্তি করে চিন। তারপরই প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পড়শিদের বাগে আনতে প্রয়োজন এস-৪০০। পাকিস্তানের কাছে প্রায় ২০ স্কোয়াড্রন মার্কিন এফ-১৬ বিমান রয়েছে। চিনের থেকেও বিপদের আশঙ্কা দিন-দিন বাড়ছে। ফলে দেশের সুরক্ষায় এই হাতিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

[আরও পড়ুন: লাদাখ সীমান্তে শান্তি ফেরাতে নবনির্মিত সামরিক পরিকাঠামো সরাতে রাজি ভারত-চিন]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.