Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Netaji

‘নেতাজির চিতাভস্ম ফেরানোর দাবিতে মামলা মেয়েকেই করতে হবে’, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

'দেওয়ালের পিছন থেকে যুদ্ধ করা যাবে না', মন্তব্য শীর্ষ আদালতের।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৬, ১৯:৪৮

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
‘নেতাজির চিতাভস্ম ফেরানোর দাবিতে মামলা মেয়েকেই করতে হবে’, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট zoom
আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালত থেকে।

জাপানের রাজধানী টোকিওর রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত নেতাজির চিতাভস্ম এদেশে ফেরানোর দাবিতে মামলা করলে তাঁর উত্তরাধিকারীকেই আদালতে আসতে হবে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দেশের সবচেয়ে মহান নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এই ধরনের দাবির পিছনে উদ্দেশ্য কী তা ভালোই বোঝে আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তিনি ছাড়াও বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলিও।

তিনি স্পষ্ট করে দেন, ”উত্তরাধিকারী ছাড়া মামলা করলে এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। উত্তরাধিকারীকে আবেদন করতে দিন। আমরা নিশ্চয়ই তা শুনব।” এরপরই বর্ষীয়ান আইনজীবী মনু সিংভি জানিয়ে দেন, নেতাজির কেবলমাত্র একজনই জীবিত উত্তরাধিকারী রয়েছেন। তিনি নেতাজির কন্যা অনিতা বসু পাফ। এরপরই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় শীর্ষ আদালত থেকে। এদিন সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, ”দেওয়ালের পিছন থেকে যুদ্ধ করা যাবে না।” পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, নেতাজির কন্যাকেই সেক্ষেত্রে আদালতে আসতে হবে।

Advertisement

উল্লেখ্য, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর যে বিয়ে হয়নি, সন্তানও নেই, এই দাবি আজকের নয়। মেজদা সুরেশচন্দ্র বসু ১৯৭০ সালে একটি চিঠিতে লিখেছিলেন- ‘অনিতা বসু জওহরলাল নেহেরুর আর একটি মিথ্যা সৃষ্টি! দাবিটা কার বেশি? কন্যার না স্ত্রীর? এর আগে তার পুত্রকে আনার কথা একটি ভারতীয় কাগজে প্রকাশিত হয়েছিল। চেহারায় না মেলার জন্য পুত্রের বদলে কন্যা সৃষ্টি হল।’ এদিকে বৃহস্পতিবারই নেতাজি গবেষকরা এটা নিয়ে প্রতিবাদ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন। গবেষক ও লেখক সৈকত নিয়োগী আর সৌম্যব্রত দাশগুপ্ত তাঁদের চিঠিতে দাবি করেছেন, বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি নেতাজির। সেক্ষেত্রে তাঁর চিতাভস্ম ফেরানোর দাবি ভবিষ্যতে ইতিহাসে ভ্রান্তির সৃষ্টি করবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.