Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Shahi Idgah

শাহী ইদগাহ মসজিদ চত্বরকে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি ঘোষণার আর্জি, মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

সম্প্রতি এলাহাবাদ হাই কোর্ট শাহী ইদগাহে সার্ভের আর্জিতে সাড়া দিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৪, ১৬:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৫, ২০২৪, ১৬:৪৩

options
link
শাহী ইদগাহ মসজিদ চত্বরকে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি ঘোষণার আর্জি, মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মথুরার (Mathura) শাহী ইদগাহ (Shahi Idgah) মসজিদে সার্ভে এবং ওই স্থানকে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি বলে ঘোষণার আর্জি জানিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থে মামলাকে খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, যেখানে এই ধরনের একগুচ্ছ দেওয়ানি মামলা রুজু হয়েছে তখন এই মামলা অর্থহীন।

বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, ”আপনি এটি দায়ের করেছেন জনস্বার্থ মামলা হিসেবে। আর সেই কারণেই এটিকে খারিজ করা হচ্ছে। অন্যভাবে এটি দায়ের করুন, আদালত বিচার করে দেখবে।” পিটিশন দাখিলকারীর আইনজীবী জানিয়েছেন, গত অক্টোবরে হাই কোর্টও এই মামলা খারিজ করেছিল। সেকথায় শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, জনস্বার্থ মামলা হিসেবে এই মামলার শুনানি অর্থহীন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বন্দুক থাকে না? চালাতে পারো না?’, সন্দেশখালি কাণ্ডে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়]

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে এলাহাবাদ হাই কোর্ট শাহী ইদগাহে সার্ভের আর্জিতে সাড়া দেয়। জ্ঞানবাপীর পর মথুরার শাহী ইদগাহ মসজিদে এই সার্ভে চালানো হবে। কী নিয়ে এই বিতর্ক? আসলে আধ্যাত্মিক শহর মথুরায় রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাচীন মন্দির । হিন্দুদের বিশ্বাস, ওই জায়গাটি শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান। সেই মন্দির চত্বরেই রয়েছে শাহী ঈদগাহ মসজিদ। ইতিহাসবিদদের একাংশের দাবি, প্রাচীন কেশবনাথ মন্দির ভেঙেই মসজিদটি তৈরি করেন ঔরঙ্গজেব। ১৯৩৫ সালে ওই মন্দির চত্বরের মালিকানা মথুরার রাজার হাতে সঁপে দেয় এলাহাবাদ হাই কোর্ট। পর্যায়ক্রমে সেই সত্ব বর্তায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ঘনিষ্ঠ শ্রী কৃষ্ণভূমি ট্রাস্টের হাতে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দুই ধর্মের মানুষের মধ্যে তৈরি হয় সংঘাত। অবশেষে ১৯৬৮ সালে এক চুক্তির মাধ্যমে জমির মালিকানা হিন্দুদের হাতে থাকলেও মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণ করার অধিকার পায় মুসলিম পক্ষ।

[আরও পড়ুন: কলকাতা জাদুঘরে বোমাতঙ্ক, বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ‘জঙ্গি সংগঠনের’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.